একদিনে ৩ হাজারের বেশি মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের মধ্য দিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে মোট করোনারোগী ২ লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই সময়ে আরও লম্বা হয়েছে মৃত্যুর তালিকাও।
বুধবার কভিড-১৯ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, এদিন সকাল আটটা পর্যন্ত ১৪ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৯ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তাতে মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ১৯৪ জনে।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।
দেশে করোনারোগী সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়ায় ২ জুন। এরপর করোনার সংক্রমণ আরও দ্রুততর হয়েছে।
অর্ধ লাখে পৌঁছানোর মাত্র ১৬ দিনে গত ১৮ জুন দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সেখান থেকে তা দেড় লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ১৪ দিন; ২ জুলাই দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন।
বাকি সাত দিনে শনাক্তের সংখ্যা ছাড়ায় পৌনে দুই লাখ। ৯ জুলাই দেশে কোরোনারোগী ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জন। সেখান থেকে শনাক্ত ২ লাখ ছাড়ায় ১৮ জুলাই, নয় দিনে। দু্ই লাখ ১০ হাজার ছাড়ায় ২১ জুলাই।
এর চার দিনের মাথায় তথা ২৫ জুলাই দেশে আক্রান্ত দাঁড়ায় ২ লাখ ২১ হাজার। সেখান থেকে তিরিশ হাজার ছাড়াতে সময় লাগল আর চার দিন।
আক্রান্তদের মধ্যে চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৩৫ জনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯ জনের। আর ২ হাজার ৮৭৮ জনসহ সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ২৯২ জন। মৃত ও সুস্থ মানুষের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী রয়েছে ৯৮ হাজার।
একদিনের হিসেবে, দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৩০ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৬.১১ শতাংশ।