ঈদ এলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। এ বছর ঈদযাত্রা অনেকটা নির্বিঘœ হলেও দেশের প্রধান চারটি ফেরিঘাট ছিল ব্যতিক্রম। বন্যা, পদ্মার তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে সব ঘাটে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। গত কয়েক দিনে যা জটিল আকার ধারণ করে। তবে গতকাল বুধবার থেকে এ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রতিনিধিরা জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথে বিগত কয়েক দিনের তুলনায় গতকাল গাড়ি পারাপার স্বাভাবিক ছিল। গত মঙ্গলবার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক ডুবে গেলে দুটি ঘাট অচল হয়ে পড়ে। তবে পদ্মার পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় গতকাল সকাল থেকে চারটি ঘাটেই ফেরি চলাচল করেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘাটে ঢাকামুখী প্রায় দেড় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে ছিল বলে জানান দৌলতদিয়া প্রতিনিধি। মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, এই নৌপথের পাটুরিয়া অংশে গাড়ির চাপ কমেনি। গতকাল রাত ৮টা পর্যন্ত ৪০০ পণ্যবাহী ট্রাক ও ৪০-৫০টি বাস নদীপারের অপেক্ষায় ছিল। বর্তমানে এই ঘাটে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।
মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, কাঁঠালবাড়ী ঘাট অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। এ ঘাটে যাত্রীবাহী বাসের চাপ না থাকলেও পণ্যবাহী প্রায় দেড়শো ট্রাক আটকে আছে। আর শিমুলিয়া ঘাটে ৯টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানান মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি। গত মঙ্গলবার পদ্মার ভাঙনে বিলীন হওয়া ৩ নম্বর ঘাট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখতে গতকাল শিমুলিয়া এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক তালুকদার মনিরুজ্জামান মিয়া।
