ছোটপর্দার ব্যস্ত অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। এবারের ঈদে আসছে তার ২০টি নাটক। বেশিরভাগ নাটকেই ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
ঈদের নাটক ...
ঈদে নতুন ও পুরনো মিলে ২০টির মতো নাটক প্রচার হবে বলে শুনেছি। এরমধ্যে ১৪টি নতুন নাটক। গত ২২ জুন থেকে এ পর্যন্ত নিয়মিত কাজগুলো করেছি। আমার কাছে অনেক স্ক্রিপ্ট এসেছিল, তার মধ্যে থেকে বাছাই করে এই নাটকগুলো করেছি। এখানে রোমান্টিক, কমেডি ও সামাজিক নাটকের পাশাপাশি ভিন্ন ধাঁচের বেশকিছু কাজ আছে। যেমন ‘হাইজিন’ নামের নাটকটিতে জিনের চরিত্র করেছি। এটি কলকাতার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং সাইট ‘আড্ডা টাইমস’-এ দেখা যাবে। সাফায়েত মনসুর রানার ‘ঘরবন্দি সময়ের সম্পর্কের গল্প’ নাটকটিতে নতুন এক ধরনের সম্পর্ক দেখা যাবে। আমার বিপরীতে আছেন অপর্ণা ঘোষ। প্রীতি দত্তের দুটি নাটক করেছি। একটি রোমান্টিক ধাঁচের, নাম ‘সেভেন ডেজ আফটার ব্রেকাপ’। তবে ‘মানুষের গল্প’ নাটকটি খুব ইন্টারেস্টিং। এখানে আমি একজন ছিঁচকে চোর। সাজ্জাদ সুমনের ‘গর্ভধারিণী’ নাটকটি নিয়েও আমি আশাবাদী।
গল্প বাছাই...
এত বৈচিত্র্যময় চরিত্র, গল্পের ভিন্নতা আমার আগের কোনো ঈদের কাজে ছিল না। এবার সিরিয়াসলি গল্প বাছাই করে কাজ করেছি। আমি চাই সব ধরনের চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরতে। এখন চ্যালেঞ্জিং চরিত্রই আমাকে বেশি টানে।
দর্শক...
অনেক বছর হলো নাটকে নিয়মিত কাজ করছি। প্রথমদিকে কাজ করেছি দর্শক ও পরিচালকদের আস্থা তৈরির জন্য। কিন্তু এখন অভিনেতার দায়িত্ব পালন করতে চাই। আমি জানি, কোন ধরনের নাটক করলে তা দুদিনেই মিলিয়ন ভিউ হবে। কিন্তু সেই ধরনের নাটক করে অভিনেতার ক্ষুধা মেটে না। দর্শক বলেন, এখন ভালো নাটক হয় না। কিন্তু আমি বলি, এখন ভালো নাটক হয়, কিন্তু দর্শক দেখে না। আমার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। অনেক ভালো গল্পের নাটকে কাজ করেছি, কিন্তু ইউটিউব ভিউয়ের ক্ষেত্রে দেখেছি, তেমন দর্শক নেই। আবার হালকা একটা গল্পে প্রচুর দর্শক পাওয়া যাচ্ছে। তাই বলে কি ভালো নাটক তৈরি বন্ধ হয়ে যাবে? আমি মনে করি, ভালো নাটকের দর্শক তৈরির দায়িত্বও শিল্পীদের। আমরা যদি নিয়মিত ভালো গল্পের নাটক করি তাহলে দর্শকেরও রুচির পরিবর্তন হবে।
সোশ্যাল ওয়ার্ক...
আমি সোশ্যাল ওয়ার্ক করি নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। তাই এ নিয়ে কখনোই কথা বলতে চাই না। করোনার এই দুর্বিষহ সময়ে যতটুকু পেরেছি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে সাহায্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমি প্রথমেই প্রাধান্য নিয়ে থাকি নিজের আত্মীয়-স্বজন, পরিচিতিজনদের। যাদের আসলেই সাহায্য দরকার। জাকাত বলেন, কোরবানির গরুর মাংস বলেন সব কিছুতেই তারাই সবার আগে প্রাধান্য পায়।
