শনিবার থেকে আবার শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট পুলের ক্রিকেটারদের একক অনুশীলন। মোট ২৭ ক্রিকেটার দেশের পাঁচটি ভেন্যুতে একা একা অনুশীলন করবেন।
শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬ দিনের ট্রেনিং সূচি ঘোষণা করেছে বিসিবি। বিসিবির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরপুরে সর্বোচ্চ ১৫ জন থাকছেন মাঠে। বাকিরা অন্য স্টেডিয়ামে।
১৯ থেকে ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত ট্রেনিং সেশনের প্রথম পর্বে সারাদেশে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারের সংখ্যা ছিল ১৪ জন। ঈদের পর ওই ১৪’র সঙ্গে যোগ হলেন আরও ১৩ জন।
ব্যাটসম্যানরা অ্যাকাডেমির জিম ও মাঠে ফিটনেস ট্রেনিং করবেন। আর ইনডোরে বোলিং মেশিনে পাবেন ব্যাটিংয়ের সুযোগ। বোলাররা অ্যাকাডেমিতে রানিং আর বোলিং করবেন।
সবাইকে সুযোগ দিতে আগের মতো সবার জন্য সময় সীমিত রাখা হচ্ছে।
ঢাকায় অনুশীলন করবেন মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুমিনুল হক, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিঠুন, সাদমান ইসলাম, সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মেহেদী হাসান রানা, তাসকিন আহমেদ, তাইজুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।
এই ১৫ জনের মধ্যে ৮ জন করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে পড়ার পর এই প্রথম মিরপুরে অনুশীলনে নামবেন। এই ৮ জন হলেন মাহমুদউল্লাহ, মুমিনুল, সাদমান, সাব্বির, সৌম্য, তাইজুল, আল-আমিন ও বিপ্লব।
ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল এখনই মাঠে ফিরছেন না। পেটের যন্ত্রণার চিকিৎসার জন্য লন্ডন ঘুরে এসে এখন কোয়ারেন্টাইনে আছেন।
বিসিবি এই সপ্তাহে তামিমের করোনা টেস্ট করাবে বলে জানা গেছে। ফল নেগেটিভ এলে তামিমকে ১৪ দিনের আগেই মাঠে দেখা যেতে পারে।
ঢাকার বাইরের ভেন্যুগুলো যথাক্রমে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, সিলেটের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়াম।
খুলনায় আগের মতোই দুই অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ও মেহেদী হাসান রানা আর উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান অনুশীলন করবেন।
সিলেটে নতুন দুজনকে নিয়ে মোট ৪ জন মাঠে থাকবেন। দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেন যোগ হয়েছেন। আগে থেকে ছিলেন পেসার খালেদ আহমেদ ও স্পিনার নাসুম আহমেদ।
চট্টগ্রামে শুধু নাঈম হাসান আগের পর্বে ট্রেনিং করেছেন। এবার এই স্পিনারের সঙ্গে যোগ হলেন দুই ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী রাব্বি ও ইরফান শুক্কুর।
রাজশাহীতে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে যোগ হয়েছেন স্পিনার সাঞ্জামুল ইসলাম।
