আনন্দময় পড়াশোনা

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২০, ০৭:৪০ এএম

অনেকের কাছে পড়াশোনা এক বিরক্তির নাম। সব কাজ করতে ইচ্ছে করলেও পড়তে ইচ্ছে করে না। তবে জীবনে উন্নতি করতে হলে পড়াশোনার বিকল্প নেই। তাই বিরক্তি দূর করে মনোযোগী হতে হবে। পড়াশোনাকে করে তুলতে হবে উপভোগ্য ও আনন্দময়। লিখেছেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মিশকাত হাবিব

 যেকোনো কষ্টসাধ্য কাজেরই পুরস্কার আছে। পড়াশোনাও শ্রমসাধ্য কাজ। দিনরাত পড়াশোনার টেবিলে বসে থাকার বিনিময়ে কিছু না পেলে তুমি হীনমন্যতায় ভুগবে। তাই কেউ পুরস্কার দিক বা না দিক, নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করো। কাক্সিক্ষত লক্ষে পৌঁছতে পারলে ভ্রমণে যাব, মুভি দেখব বা ওই বস্তুটি কিনব ইত্যাদি সংকল্প করতে পারো। এসব তোমার পড়াশোনায় অনুপ্রেরণা জোগাবে।

 গ্রুপস্টাডি পড়াশোনাকে আনন্দময় করে। কয়েকজন মিলে বইয়ের কঠিন অধ্যায়গুলো সলভ করে নাও। বিশেষত পরীক্ষার আগে পুরো বই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে নাও। এবার যে যার অধ্যায় সবার সঙ্গে ভালোভাবে আলোচনা করো। দেখবে, আনন্দের সঙ্গে তুমি কঠিন বিষয়গুলো ভালোভাবেই আয়ত্ত করে নিচ্ছ।

 পড়াশোনায় কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করো। বিশেষত মুখস্থ রাখার বিষয়গুলো। যেমন, ইতিহাসের বিভিন্ন সাল, তারিখ ও ঘটনা তোমার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা, পরিচিত মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে মুখস্থ করতে পারো। কিংবা ইংরেজি ভোকাবুলারি ওই সম্পর্কিত বস্তু দিয়ে মনে রাখতে পারো। এ পদ্ধতি তোমার বিরক্তি দূর করবে।

 তোমার পছন্দের বিষয়গুলো জটিল বিষয়গুলো পড়ার ফাঁকে ফাঁকে পড়ো। এতে তুমি চাঙা হয়ে উঠবে। আবার সারাদিন তো পড়া সম্ভব নয়, তাই কঠিন বিষয়গুলো ছোট ছোট নোট আকারে বাসার বিভিন্ন স্থানে এঁটে দাও। হাঁটাচলার সময় সেদিকে নজর বুলিয়ে নাও। হাসিখুশির মাধ্যমে মনের অজান্তেই শিখতে পারবে অনেক কিছু।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত