জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করে প্লাজমা সেন্টার উদ্বোধন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। গতকাল শনিবার সকালে ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এই প্লাজমা সেন্টার উদ্বোধন করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ খান।
অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট অনুমোদন না পাওয়ায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশ্বে আমরাই প্রথম এই কিট উদ্ভাবন করি। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তহীনতায় জনগণ বঞ্চিত হয়েছে।’
করোনাজয়ীদের প্লাজমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক রক্ত দরকার। প্রত্যেকের রক্ত দেওয়া উচিত। রক্তদানে খরচ নেই। কিন্তু প্লাজমা নিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে সবমিলে ৫-৬ হাজার টাকা লাগবে। টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপিই ভালো সমাধান। চীনের তৈরি টিকা ট্রায়াল দিলে বাংলাদেশ লাভবান হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে প্লাজমা সেন্টার করা দরকার। আমরা এখন প্রতিদিন ২৫ জনকে প্লাজমা দিতে পারব। আগামী মাসে বিদেশ থেকে আরেকটি মেশিন এলে প্রতিদিন ৬০ জনকে প্লাজমা দেওয়া সম্ভব হবে।’
এ সময় গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ খান, গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটের উদ্ভাবক ডা. বিজন কুমার শীল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
