প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক মহান ব্যক্তিত্ব, যাকে কোনো বিশেষণেই বিশেষায়িত করা যাবে না। দেশের মানুষ স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পেলেই জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ছয় দফা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তি সংগ্রাম, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, বাঙালির স্বাধিকার, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ যাই বলি না কেন এ শব্দগুলোর অপর নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বলে তার জীবনের অনেকটা সময় কারাগারে কেটেছে। আদর্শ এবং মূল্যবোধ থেকে তিনি এক পা পিছু হটেননি। গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনকে সুসংহত করতে বঙ্গবন্ধু জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত প্রাণান্তকর চেষ্টা করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বিচার বিভাগ পৃথককরণের কথা শুধু ১৯৭২ সালের সংবিধানেই বলেননি, তারও আগে ১৯৫৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের গণপরিষদে আইনসভার সদস্য হিসেবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণের জোর দাবি উত্থাপন করেন।’ সভায় আপিল বিভাগের ৪ জন এবং হাইকোর্ট বিভাগের ২৮ জন বিচারপতি বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে দুই মিনিট নীরবতা পালনসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।
