নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জিয়া ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের খুনি এবং খুনিদের মদদদাতা। জিয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেন, তখনই প্রমাণিত হয় জিয়া ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি অডিটরিয়ামে জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘একটি হত্যাকান্ড একটি দেশ ও জাতিকে পিছিয়ে দিতে পারে, যেমনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হয়েছে। হত্যাকারীরা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডকে ধামাচাপা দিতে দেশে লুটেরা দুর্নীতির ধারা সৃষ্টি করেছিল, সেখান থেকে এখনো বেরিয়ে আসা যায়নি।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে অনেক দেশের জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশের মতো জাতির পিতাসহ তার পরিবারকে হত্যার মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটেনি। এর ফলে সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছে। মেধা মননের বিকাশ ঘটেনি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
অনুষ্ঠানে লেখক, গবেষক ও রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন ‘বঙ্গবন্ধুর নদী-দর্শন ও এশীয় শতাব্দীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান খাজা মিয়া, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক। জুম অ্যাপ ভিডিওতে আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ এবং মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়র অ্যাডমিরাল এম শাহাজাহান। পরে প্রতিমন্ত্রী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা সদরঘাটে নৌশ্রমিকদের মাঝে বিশেষ খাবার বিতরণ করেন।
