জাতীয় দলের ডিফেন্ডার রায়হান হাসানের সবশেষ কভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ফুটবলারদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) তত্ত্বাবধানে ৩টি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। রায়হানের দুটি পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও একটিতে পজিটিভ আসে। তাই বিশেষ তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।
রবিবার বাফুফে প্রেরিত ভিডিও বার্তায় রায়হান তার সবশেষ (চতুর্থ) পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার কথা নিশ্চিত করেছেন। রায়হান বলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে আমরা তিনটা টেস্ট করি। সেখানে আমার দুটিতে নেগেটিভ এবং একটিতে পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিল। আমি বিশেষ পর্যবেক্ষণে ছিলাম। গতকাল আবার টেস্ট করিয়েছি, রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি।’
করোনার কারণে স্থগিত হওয়া বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের বাকি ম্যাচগুলো অক্টোবর-নভেম্বরে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। এ উপলক্ষে এ মাসের শুরুতে ক্যাম্পও শুরু করে বাফুফে। পরে অবশ্য ফের স্থগিত হয়ে যায় ম্যাচগুলো।
তার আগে ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা নিয়ে বেশ ভোগান্তিতেই পড়তে হয় বাফুফেকে। প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ধাপে ৩০ ফুটবলারের কভিড-১৯ পরীক্ষা করানো হয়। যাতে ১৮ জনেরই ফল পজিটিভ এসেছিল। কিন্তু ফলাফল দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়েছে নানা নাটক।
এরপর ১০ আগস্ট আইসিডিডিআরবি ও প্রভা হেলথে ৩৬ জনের (৩০ জন খেলোয়াড় ও ৬ জন কর্মকর্তা/স্টাফ) নমুনা দেওয়া হয়। যাতে ৭ ফুটবলারের ফল পজিটিভ। তারা হলেন- এম এস বাবলু, রবিউল হাসান, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, টুটুল হোসেন বাদশা, শহিদুল আলম, আনিসুর রহমান ও বিশ্বনাথ ঘোষ।
দুই রকম ফল আসে ৩ ফুটবলারের। রায়হান ছাড়া অন্য দুজন হলেন- রিয়াদুল হাসান ও রাকিব হোসেন।
