সভায় ডিএমপি কমিশনার

পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে চাকরি হারাতে হবে

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২০, ০২:৩১ এএম

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘মাদকসেবী সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্ট করে পজিটিভ হলে তাকে চাকরি হারাতে হবে। যেসব পুলিশ সদস্য মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে। যে উদ্দেশ্য ও শক্তি নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছিলাম তা অব্যাহত রাখতে হবে।’ গতকাল রবিবার সকালে রাজারবাগ বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত মাসিক অপরাধ সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বিট পুলিশিং ও গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী থেকে প্রাপ্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে মাদকসেবীদের তালিকা করতে হবে। আমরা মাদকসেবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনর্বাসনে সহযোগিতা করব।’

পথশিশুদের মাদকসেবনের বিষয়ে কমিশনার বলেন, ‘যেসব পথশিশু মাদক ও ড্যান্ডি খাচ্ছে, তাদের দিকে বিশেষ লক্ষ দিতে হবে। তাদের বড় হয়ে ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কাজ করার আশঙ্কা আছে। শিশুদের কাছে জুতার সল্যুশন আঠা বিক্রির জন্য দোকানদারদের কঠোরভাবে সতর্ক করার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা মহানগর এলাকায় জুলাই মাসে উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ, গ্রেপ্তারকৃত আসামির সংখ্যা এবং এ-সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএমপির মনিটরিং সেলের মাধ্যমে থানায় সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখা যাচ্ছে, থানায় মামলা ও জিডি গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশের আচরণে জনসাধারণ সন্তুষ্ট হচ্ছেন। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং সেবার মান আরও বাড়াতে হবে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে সংঘটিত হত্যা, ডাকাতি ও ছিনতাই মামলার ডিটেকশনের পরিমাণ অনেক ভালো।

সভায় জুলাই ২০২০ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার। ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ, ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গুলশান ও উত্তরা বিভাগ। সন্তুষ্টজনক কাজের জন্য ৩৭ জনকে ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত