এফসি বাসেলকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালে উঠেছিল শাখতার দোনেৎস্ক। কিন্তু সেমিতে তাদেরই এমন বাজে অভিজ্ঞতা হলো। ইউক্রেনের ক্লাবকে ৫-০ গোলে বিপর্যস্ত করে ফাইনালে উঠেছে ইতালির ইন্তার মিলান। এতে ২০১০ সালের পর প্রথম কোনো ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টের ফাইনালে নাম লেখাল দলটি। শুক্রবারের শিরোপা লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়ন সেভিয়ার মুখোমুখি হবে তারা।
জার্মানির ডুসেলডর্ফের এসস্প্রিট অ্যারেনায় সোমবারের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইন্তারের পক্ষে জোড়া গোল করেন লুতারো মার্তিনেজ ও রোমেলু লুকাকু। অপর গোলটি আসে দানিয়েল ডি’অ্যামব্রোসিও’র পা থেকে।
এতে মৌসুমে মার্তিনেজের গোল দাঁড়াল ২১-এ। আর লুকাকু টানা ১০ ম্যাচে গোলসংখ্যা নিয়েছেন ২১-এ। আর টানা ১০ ইউরোপা ম্যাচে গোল করে লুকাকু ক্লাবের হয়ে অভিষেক মৌসুমে তার গোলসংখ্যা নিয়ে গেলেন ৩৩-এ। ইন্তারের হয়ে অভিষেকে এর চেয়ে বেশি ৩৪ গোল করেছিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনাল্ডো, ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে।
২০১০ সাল হোসে মরিনহোর অধীনে ট্রেবলজয়ী ইন্তার গত এক দশকে নিশ্চুপ সময় কাটিয়েছে। ইউরোপিয়ান মঞ্চে তো বটেই সিরি আ-তেও সাফল্য ছিল না তাদের। কোচ অ্যান্তোনিও কন্তের অধীনে সাফল্য-খরা কাটিয়ে উঠেছে দলটি। চলতি মৌসুমে লিগে দ্বিতীয় হয়ে শেষ করেছে তারা। এবার ইউরোপা লিগ শিরোপা থেকে একধাপ দূরে। এ নিয়ে দশম ইউরোপিয়ান ফাইনালে পা রাখল ইতালিয়ান দলটি। তার অধীনে বিশাল কিছুর পথে ইন্তার এমনটাই মনে করেন দুই গোল করা আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মার্তিনেজ, ‘অসাধারণ একটি রাত কাটিয়েছি। এমন কিছুর স্বপ্নই দেখছিলাম আমরা। আমরা প্রমাণ করেছি কন্তের অধীনে ইন্তার বিশাল কিছুর পথে আছে। আমরা ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।’
আর কন্তে জানালেন, শুধু তিনিই নন দলের অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা প্রথম ‘ফাইনাল নিয়ে সবাই খুব রোমাঞ্চিত। আমরা সমর্থকদের দারুণ একটা আনন্দ দিতে চাই। আমরা জানি সমর্থকরা এই দলটার জন্য গর্বিত, কারণ দলের সবাই সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছে। সেভিয়া খুবই ভালো দল, তারা এই টুর্নামেন্ট একের অধিকবার জিতেছে। কিন্তু আমরা আমাদের সাফল্যের জন্য প্রস্তুত।’
