গাজীপুর মহানগরী

যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে মাস্ক হ্যান্ড গ্লাভস, পিপিই

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২০, ০৫:০৩ এএম

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো গাজীপুরে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, পিপিই ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার বেড়েছে। এসব সুরক্ষা পণ্য ব্যবহারের পর তা যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে। আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এগুলো পরিষ্কার করছেন না। এতে নগরবাসীর মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

গতকাল সরেজমিন গাজীপুর শহরের দক্ষিণ ছায়াবিথী, উত্তর ছায়াবিথী, লক্ষ্মীপুরা, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড, চান্দনা চৌরাস্তার আশপাশের রওশন সড়ক, আউটপাড়া, ইটাহাটা, ভোগড়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ব্যবহৃত মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস পরে আছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা রাস্তাঘাট ঝাড়ু দিলেও এগুলো নিতে অনীহা।

চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা আবদুল হান্নান সরকার জানান, মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে যেখানে সেখানে ফেলছেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এগুলো সরাচ্ছে না। এতে সুস্থদের বিপদ বাড়ছে। এখন শহরের রাস্তাঘাট সুরক্ষা পণ্যের বর্জ্যে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বলে জানান তিনি।

গাজীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক তপন কান্তি সরকার বলেন, ‘সার্জিক্যাল মাস্ক, প্লাস্টিকের হ্যান্ড গ্লাভস, ফেস-শিল্ড, সার্জিক্যাল ক্যাপ ব্যবহার করলেও বেশিরভাগ মানুষ এগুলো কোথায় ফেলা উচিত, তা জানেন না।’

গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুরক্ষাসামগ্রীর বেশিরভাগ প্লাস্টিকের তৈরি, সহজে পচে না। পরিবেশের দূষণ ঘটাচ্ছে। আর বৃষ্টিতে বর্জ্যগুলো ড্রেনে গিয়ে পয়ঃনিষ্কাশনে বিঘœ ঘটাচ্ছে।’

সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত গাইডলাইন তৈরি করা দরকার। পাশাপাশি বর্জ্য থেকে যেন করোনার বিস্তার ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য মানুষকে সচেতন করতে হবে।’

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়েরে তথ্যে, গত মঙ্গলবার জেলায় নতুন ২২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪ হাজার ৫৪২ জনে। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯৯৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত