হাইকোর্টের অভিমত

ফাজিলে স্নাতক ও কামিলে মাস্টার্স ছাড়া সভাপতি নয়

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২০, ০৭:৪৪ এএম

ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি ছাড়া ফাজিল মাদ্রাসা ও মাস্টার্স পাস ছাড়া কামিল মাদ্রাসায় কোনো ব্যক্তি গভর্নিং বডির সভাপতি হতে পারবেন না বলে অভিমত দিয়েছে উচ্চ আদালত। বগুড়ার এক মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতির মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণায় এ অভিমত দিয়েছে হাইকোর্ট। গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত বুধবার পেয়েছেন বলে জানান রিটকারীর আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির।

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নুর- উস-সাদিক। হাইকোর্টের রায়ের বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির জানান, আদালত অভিমত দিয়েছে যে, মাদ্রাসা শিক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে সভাপতি হতে ফাজিল মাদ্রাসার ক্ষেত্রে স্নাতক ও কামিল মাদ্রাসায় মাস্টার্স ডিগ্রিধারী হতে হবে। তিনি আরও জানান, রায়ে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রথমে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন ব্যক্তির নাম পাঠাবেন। এরপর ওই তিনজনের মধ্যে থেকে ভিসি একজনকে সভাপতি পদে মনোনীত করবেন।

আইনজীবীরা জানান, ২০১৮ সালের ৮ মার্চ বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার কালিশ পুনাইল হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি পদে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারধারী মো. বেলাল হোসাইন বাবলুকে মনোনয়ন দেয় ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। এক্ষেত্রে শুধু তার নাম সংযুক্ত করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ভিসির  কাছে সুপারিশ পাঠান। এরপর বেলাল হোসাইন বাবুলকে সভাপতি পদে মনোয়ন দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ওই মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য আরিফুল ইসলাম। রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২১ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করে। রায়ে ওই মাদ্রাসার সভাপতি পদে এমপির ডিও লেটারধারী মো. বেলাল হোসাইন বাবলুকে মনোয়ন দেওয়ায় তার সভাপতি পদ বাতিল করে হাইকোর্ট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত