১৯৭০-এ প্রতিষ্ঠিত পিএসজি ২৫ বছর পর প্রথমবার সেমিফাইনালে খেলেছিল চ্যাম্পিয়নস লিগের। আরেক ২৫ বছর লাগল প্রথমবার ফাইনালে খেলতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে ইউরোপ-সেরা হওয়ার সুযোগ হারাল তারা। লিসবনের সেই হার থেকে অনেক কিছু শেখার আছে বলে মনে করছেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল।
ফাইনালে যেকেউ জিততে পারত মন্তব্য করে টুখেল বলেন, ‘এটা বড় লড়াই ছিল। আমরা মাঠে সব কিছু উজাড় করে দিয়েছিলাম। কিন্তু ফলাফলকে তো আর নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তবে আমার মনে হয় গোলটাই ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। আমি হতাশ তবে খুব বেশি হতাশ নই। আমরা জেতার খুব কাছে চলে গিয়েছিলাম।’ টুখেল আরও বলেন, ‘আমাদের জেতার জন্য আর কী দরকার ছিল? আমি মনে করি প্রথম গোলটা করতে পারলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হতাম। প্রথম গোল করলে বায়ার্নের মতো আমরা ১-০ গোলে জিততাম।’ প্রথমার্ধে নেইমার একটা দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু অসাধারণ দক্ষতায় গোল সেভ করেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। ‘পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ খেলেছে নেইমার। তবে সে তো আর সবকিছু করে দিতে পারে না।’ সঙ্গে এমবাপেরও প্রশংসা করেন কোচ, ‘জুলাইয়ে গোড়ালির কঠিন ইনজুরি থেকে উঠেই যে ফুটবল খেলেছে এমবাপে তা সত্যি অলৌকিক।’ জানান, ‘আমরা দারুণ একটা দল তৈরি করতে পেরেছি। ফাইনালটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। ফিরে গিয়ে আমাদের স্পোর্টিং ডিরেক্টর লিওনার্দোর সঙ্গে কথা বলব। এই দল তৈরিতে যাদের অবদান আছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাব।’
পিএসজির মিডফিল্ডার আন্দ্রে হেরেরা বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে ঘুমানো এবং কথা বলা কঠিন। পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা আরও কঠিন। তবে আগামীকাল থেকে আমি এবং আমার সতীর্থরাও সম্ভবত নতুনভাবে শুরু করতে চাইব। ক্লাবের জন্য আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু তৈরি করতে পেরেছি।’ মিডফিল্ডার মার্কুইনহোস বলেছেন, ‘আমরা দল হিসেবে খেলেছি। কোনো ব্যক্তির ভুলে আমরা হারিনি। দল হিসেবে আমরা গর্বিত। কেউ ভাবেনি এই টুর্নামেন্টে আমরা দল হিসেবে এত ভালো করতে পারব। এখন হতাশ লাগছে কারণ আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিলাম। এখন ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। পরস্পরের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এখন পরের টুর্নামেন্টে যাতে আরও ভালো খেলা যায় সেই পরিকল্পনা করতে হবে।’
