সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার আড়াই মাস পর প্রথমবার কেউ গ্রেপ্তার হলো। প্রয়াতের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে নিষিদ্ধ মাদক সংগ্রহ করে দেওয়ার অভিযোগ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, আটকদের নাম আবদুল বশিত ও জৈদ ভিলাতরা। মুম্বাই থেকে তাদের ধরা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সুশান্ত মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই। তার আগে থেকেই আর্থিক তছরুপের দিকটি খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি)। মঙ্গলবার এ বিষয়ে গোয়ার হোটেল ব্যবসায়ী গৌরব আর্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তার আগে গৌরব জানান, সুশান্তকে তিনি চিনতেন না, চিনতেন রিয়া চক্রবর্তীকে।
এ সব ঘটনার মাঝে বুধবার দুজনকে আটক করল এনসিবি।
জানা গেছে, রিয়ার সহযোগী স্যামুয়েল মিরান্ডার মাধ্যমে সৌভিককে মাদক সরবরাহ করা হতো। শোনা যাচ্ছে, আটকদের মধ্যে একজন বলিউডের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছেন। এরই মধ্যে ইমতিয়াজ খাতরি নামে এক ব্যক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন রিয়ার ম্যানেজার শ্রুতি মোদির আইনজীবী ।
এর আগে সুশান্তর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, অভিনেতার অজান্তেই তাকে মাদক দেওয়া হতো। রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগও আনা হয়। তবে মঙ্গলবার একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সুশান্তর মৃত্যুতে এখনো পর্যন্ত খুনের প্রমাণ পায়নি সিবিআই।
ইতিমধ্যে রিয়া ও সৌভিককে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ পিঠানি, স্যামুয়েল মিরান্ডা ও সুশান্তর বোন মীতু সিংকেও। মঙ্গলবার রিয়ার বাবা-মাকেও ডাকা হয়।
