প্রায় পাঁচ মাস আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পুরনো মামলার জট নিরসন বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘করোনা এখনো পুরোপুরি চলে যায়নি। তবে এর মাঝেও আদালত খুলতে শুরু করেছে। এ সময়ের মধ্যে শারীরিক ও ভার্চুয়াল এ দুই পদ্ধতিতেই উচ্চ আদালতে বিচারকাজ চলবে। তবে আদালত নিয়মিত খোলার পর মামলার পুরনো জট নিরসনে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেব।
দেশে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর গত ২৫ মার্চ থেকে আদালত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে বেড়ে যায় মামলার জট। এরপর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে বিচারিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়।
আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, সারা দেশে বিচারাধীন মোট মামলার সংখ্যা ৩৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮টি। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন আছে ২৩ হাজার ৬১৭টি। হাইকোর্ট বিভাগে রয়েছে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৬৮টি মামলা। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৪৩টি। চলতি বছরের শুরুতে বিদ্যমান মামলার জট কমানোর আশা প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, এই বছরের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মামলা নিষ্পত্তি হবে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর আরও জোরদার করা হবে। বিষয়টি এখনো জনগণের কাছে তেমনভাবে পরিচিত নয়। সে ক্ষেত্রে যেসব ফৌজদারি মামলা আপসযোগ্য, সেগুলো কোর্টের বাইরে মীমাংসা হতে পারে।
