চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দুটি ওয়ার্ডে ‘প্রতিনিধি’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর ও ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সরওয়ার্দী। তবে এই নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে চসিক প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম সুজন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেয়াদ শেষ হওয়ায় বর্তমানে ওয়ার্ডগুলোতে কোনো কাউন্সিলর নেই। স্থানীয়দের বিভিন্ন সনদ দিতে সচিবকে সহযোগিতার জন্য তাদের মৌখিকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের দুর্ভোগ কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা শুধুমাত্র লোকজন শনাক্ত করবেন। এর বেশি কিছু নয়।’
তবে নির্বাচিত কাউন্সিলর পদে মৌখিকভাবে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চট্টগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশন আইন দ্বারা গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্থা। এখানে যেকোনো নিয়োগে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নিতে হবে। আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে।’
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সামশুদ্দোহা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় ৪১টি ওয়ার্ডের যাবতীয় কর্মকাণ্ড দেখভালে চসিকের তিন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হলে আমরা জানতাম। নতুন নিয়োগের বিষয়ে জানা নেই।’
নিয়োগ পাওয়া কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর ও শেখ সরওয়ার্দী বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের কাজকে এগিয়ে নেওয়া এবং ওয়ার্ড সচিবকে সহযোগিতার জন্য প্রশাসক আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন।’ প্রথম দিনে গত রবিবার অফিসে গিয়ে শেখ সরওয়ার্দী প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা ও করোনা মহামারী কেটে যাওয়ার জন্য দোয়া মাহফিল করেন।
