বাংলাদেশে ঘন ঘন বড় বড় অঘটন ঘটে। ফলে আগের ঘটনা দ্রুতই চাপা পড়ে যায়। গণমাধ্যম পরের ঘটনা নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ দেশে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু বিষয়টি যদিও খুব বড় ও প্রায় দীর্ঘস্থায়ী সংকট, তার পরও বিষয়টি আর আলোচনার ‘উপকেন্দ্রে’ও ইদানীং থাকছে না। অবশ্য সম্প্রতি আবার একটু আলোতে এসেছে। রোহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগে সম্প্রতি কানাডা ও সুইজারল্যান্ড নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। পৃথিবীর অনেক দেশই এমন ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব করেছে তাদের কণ্ঠ। গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত অহিংস ধর্মের দেশ মিয়ানমারের ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী’ রাষ্ট্রশক্তি এখন যেন একটি বিভ্রান্ত পথে অগ্রসর হচ্ছে। আসলে নানা ধর্মের দেশেই এমন স্বার্থান্ধ ভূ-রাজনীতি মানবতাকে বিপন্ন করছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশে বসানোর দাবি করেছে। তাদের যুক্তি, এতে অনেক রোহিঙ্গা আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবে। এসব সাম্প্রতিক ইস্যু যুক্ত হয়ে নানা অঘটনে ধুলো জমে যাওয়া রোহিঙ্গা ইস্যু যেন আবার সামনে চলে আসছে।
একসময় পশ্চিমা সমালোচকরা ইসলাম ধর্মকে মূল্যায়ন করে বলতেন ইসলাম হচ্ছে নাগরিক ধর্ম। বলার কারণ, আরব দেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পর রাজ্য বিজয়ের মধ্য দিয়ে ইসলাম প্রচারিত হয়েছিল। সাধারণত রাজধানী শহর জয়ের মধ্য দিয়ে বিজয় সম্পন্ন হতো। তাই নগরের মধ্য দিয়েই ইসলামের অগ্রযাত্রা। বাংলাদেশের মতো অনেক দেশেই ইসলাম রাজ-আনুকূল্যে প্রচারিত হয়নি। প্রচারিত হয়েছে সুফি-সাধকদের হাত ধরে। বলপ্রয়োগে নয় মানবিক আহ্বানে। বাংলার মতো যে সমাজ বাস্তবতায় রক্ষণশীল সমাজ ও ধর্মগোষ্ঠীর হাতে মানবতা বিপন্ন হয়ে পড়েছিল, সেখানেই সুফিরা সাফল্য পেয়েছিলেন। এ কারণে বিশ্বজুড়ে ধর্ম দর্শন ও চরিত্র প্রভার কারণে ইসলাম ও মুসলমানদের স্বাগত জানানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ার এটি প্রধান কারণ। আজ সব যেন একেবারেই উল্টে গেছে। না হলে বছর কয়েক আগে ব্রাসেলস এয়ারপোর্টে আমার পাসপোর্ট আটকে লম্বা সময় ইমিগ্রেশন অফিসাররা দল বেঁধে গবেষণা করবে কেন! হয়তো পাসপোর্টে আমার পেশা ও পরিচয় থাকায় ব্যক্তিগতভাবে আমাকে প্রশ্ন করেনি। গোল বাধিয়েছে আমার মুসলমান নামটি। কারণ আমি সন্ত্রাসী-জঙ্গি কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে তো! শেষ পর্যন্ত রোমগামী আমার ফ্লাইট ছাড়ার সময় হয়ে যাওয়ায় দয়া করে ছুটি দিয়েছিল। এ কারণে আমি ওদের দোষ দিই না। এককালে যে মুসলমানের আসন ছিল সম্মানের, আজ মানবতাবিরোধী ভয়ংকর জঙ্গিরূপ প্রকাশ করে আমরাই লাঞ্ছিত করে ফেলেছি ইসলামকে। বিশ্ববাসীর কাছে ছোট করে ফেলেছি।
বাংলাদেশে প্রাণ নিয়ে ছুটে আসা লাখ লাখ বিপন্ন রোহিঙ্গাকে দেখে মিয়ানমারের বৌদ্ধ অধ্যুষিত জনপদ ও বৌদ্ধ ধর্মাশ্রয়ী শাসকদের ধর্মচেতনার বিকৃতি একই সঙ্গে দেখতে পারছি। অন্যসব দিক বাদ দিলাম, তারাও তাদের আচরণে বৌদ্ধ ধর্মের মহান মানবিক দর্শনকে লাঞ্ছিত করছে। ভূ-রাজনীতির স্বার্থপরতা ও জাতিগত বৈষম্য-চিন্তা কীভাবে মানবতাকে বিপন্ন করে তা রোহিঙ্গা নিপীড়ন দেখলে স্পষ্ট হয়।
খ্রিস্টপূর্ব ৬ শতকে সামন্তরাজার ছেলে গৌতমকে ভাবিয়ে তুলেছিল মানবতার বিপন্ন দশা। রাষ্ট্র পরিচালক ও সমাজপতি বৈদিক ব্রাহ্মণদের হাতে বিপন্ন হয়ে পড়েছিল সাধারণ মানুষ। নানা রকম ধর্মীয় যাগযজ্ঞ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাকে সংকটাপন্ন করে তুলেছিল। এদের মুক্তির উপায় খুঁজতে গিয়ে ধ্যানস্থ হন গৌতম। একসময় পথ খুঁজে পান। জ্ঞান বা বুদ্ধত্ব লাভ করেন। সরল মানবিক পথে নিয়ে আসেন অনুসারীদের। এভাবে দ্রুত বৌদ্ধধর্ম পৃথিবী জুড়ে জনপ্রিয় হয়ে পড়ে। দক্ষিণ এশিয়া এবং দূরপ্রাচ্যে এই ধর্মাচারী মানুষদের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়। কিন্তু কালক্রমে বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন-বিচ্ছিন্ন হয়ে পোশাকি বৌদ্ধ হয়ে পড়ে অনেক দেশের ধর্মচারীরা। এভাবে একটি বিপন্ন অবস্থায় পৌঁছে গেছে গৌতম বুদ্ধের এই মানবিক ধর্মটি। বৃহত্তর অর্থে (মিয়ানমারসহ) এই উপমহাদেশে বৌদ্ধধর্ম ও সংঘের অবস্থা তেমন সবল নয়। ভারতের মতো একটি বিশাল দেশে একটি বড় অংশের বৌদ্ধ ধর্মাচারী মানুষ তাদের স্বাতন্ত্র্য হারিয়ে ফেলেছে অনেক আগেই। তবে সংখ্যায় বেশি না হলেও বরাবরের মতো বাংলাদেশে বৌদ্ধ ধর্মানুসারী মানুষ তাদের ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য ও সৌন্দর্য অনেকটাই ধরে রাখতে পেরেছেন। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বৌদ্ধধর্ম-অধ্যুষিত দেশ মিয়ানমার। অথচ গৌতম বুদ্ধের অহিংস বাণীর অনুসারীরা হিংসার আগুনে পোড়াচ্ছে তাদের ভূখণ্ডে হাজার বছর ধরে বসবাসকারী একটি দরিদ্র জাতিগোষ্ঠীকে।
মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের একটি পুরনো বক্তব্য আছে, তা হচ্ছে রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশের বাঙালি। এ যুক্তি থেকেই তারা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অন্য নাগরিকদের মতো রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণের অধিকার নেই, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজ জীবনেও চরম বৈষম্যের শিকার তারা। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিপীড়নের কারণে অনেক রোহিঙ্গা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে নানা অবৈধ উপায়ে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছে। দীর্ঘ নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া কখনো কখনো সন্ত্রাসের জন্ম দেয়। সমাজ ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকেই আলোকিত জায়গায় নিয়ে আসতে হয়। তা ছাড়া কোনো অন্যায়কারীর দোহাই দিয়ে পুরো জাতিগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া এই ‘সভ্য’ দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্য হবে কেমন করে।
ইতিহাস কিন্তু মিয়ানমার সরকারের সুবিধাবাদী ব্যাখ্যা গ্রহণ করবে না। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বসবাসের শুরু হাজার বছর আগে। মিয়ানমারের মূল অধিবাসী দাবিদারদের বড় অংশ মঙ্গোলিয়া থেকে অভিবাসী হয়ে আসারও অনেক আগে উত্তর রাখাইনের সমুদ্রতীরাঞ্চলে মুসলমান বসতির পত্তন হয়। বাংলাদেশে মুসলিম সমাজের পত্তনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে আরাকানে মুসলিম বসতি স্থাপনের। ভারত উপমহাদেশে এবং বিশেষ করে বাংলায় সুফিদের মধ্য দিয়ে ইসলাম বিস্তার শুরু হলেও এর বহু আগে সীমিতভাবে মুসলিম সমাজের পত্তন হয় আরব বণিকদের মধ্য দিয়ে। ৭ শতকে আরব বণিকরা ভারতের পশ্চিম উপকূলে তাদের বাণিজ্য নৌকা নোঙর করে। আট শতকের মধ্যে তারা দক্ষিণে সম্প্রসারিত হয়ে ভারত মহাসাগর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে চলে আসে। এভাবেই ৮ শতকে আরব বণিকরা জাহাজ ভেড়ায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম-নোয়াখালীর সমুদ্র উপকূলে। একই সঙ্গে তাদের বাণিজ্যতরী ভেড়ে মিয়ানমারের রামবি দ্বীপে। এ পর্বে আরব মুসলমানদের অনেকে আরাকানিদের বিয়ে করে মুসলিম সমাজের পত্তন ঘটান। বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা কাছে বলে এই আরাকানিদের মগ গোত্র ছাড়া বাকিরা নৃ-তাত্ত্বিক দেহবৈশিষ্ট্যে বাংলাদেশের মানুষের মতোই। যারা দীর্ঘ রক্ত মিশ্রণের মধ্য দিয়ে বর্তমান বৈশিষ্ট্যে দাঁড়িয়েছে। এরপরও বর্তমান রোহিঙ্গাদের কারও কারও দেহবর্ণ লক্ষ করলে আরব রক্তধারার খোঁজ পাওয়া কঠিন নয়।
এত গেল এক ধরনের বিচার। ১৯৪৭ সালে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকরা চলে যাওয়ার পর না হয় ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার নিজেদের আলাদা ভৌগোলিক পরিচয় পেল; এর আগে তো অভিন্ন জনপ্রবাহ ছিল অভিন্ন ভূখণ্ড বিবেচনায়। পাকিস্তান-মিয়ানমারের সীমানা আলাদা হলো ঔপনিবেশিক যুগ শেষ হওয়ার পর। তাই স্বাভাবিক নিয়মে যেমন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ-আত্মীয়তা ও অভিন্ন সংস্কৃতি রয়েছে, তেমনি রাখাইনের মুসলমানদের সঙ্গেও কক্সবাজার চট্টগ্রামের কোনো কোনো মানুষের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। এভাবেই অভিবাসীরা বসবাসকারী দেশে আত্মীকরণ হয়ে যায়। স্ব-স্ব অবস্থানকারী দেশের নাগরিক হয়ে নিজস্ব সত্তা নিয়ে সব অধিকার ভোগ করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আরাকানের রোহিঙ্গাদের। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকেই বার্মিজ শাসকদের জাতিবিদ্বেষী বৈরী আচরণের কারণে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে পরবাসী হয়ে আছে। বঞ্চিত হচ্ছে, লাঞ্ছিত হচ্ছে, অত্যাচারিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যা মিয়ানমার সরকার করতে পারে না। আজ সময় এসেছে ইতিহাসের আনুপূর্বিক গতিধারা ও সত্যতা ব্যাখ্যা করে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করা। শুধু রোহিঙ্গারা আজ মানবেতর অবস্থায় পড়েনি, শরণার্থীর চাপে বাংলাদেশও ভারাক্রান্ত। তাই বিশ্ববাসীর কাছে প্রকৃত সত্য ও ব্যাখ্যা তুলে ধরার দায় আমাদেরই।
সবচেয়ে দুর্ভাগ্য এই যে, বর্তমান বিশ্বনেতাদের অনেকেই নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থ ঠিক রাখতে বিপন্ন মানবতার আর্তিতে সাড়া দিচ্ছেন না। ভারত ও চীনের মতো বৃহৎ দেশে নিজেদের মধ্যে নানা দ্বন্দ্ব ও প্রতিযোগিতায় রয়েছে। উভয় দেশের জন্য তাই কৌশলগত কারণে মিয়ানমারের বন্ধুত্ব প্রয়োজন। তাই উভয় দেশ রোহিঙ্গা সংকটে অনেকটা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কয়েক বছর আগে মিয়ানমার সফরকালে বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ধরনের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছিলেন, আমার ধারণা এতে বিবেকবান গণতান্ত্রিক ভারতের অধিকাংশ সচেতন মানুষ লজ্জিত হয়েছেন। শত সীমাবদ্ধতার পরও বাংলাদেশ মানবিক কারণে আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছে। একটি ভালো দিক যে, বাংলাদেশ সরকার নীরব কূটনীতির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিবেককে কিছুটা জাগিয়ে তুলতে পেরেছে। একসময় শক্ত বক্তব্য রেখেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘও ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। অনেক মুসলিমরাষ্ট্র সোচ্চার হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি অং সান সু চির নেতৃত্বে দেশটির ‘প্রায় সামরিক’ সরকার আন্তর্জাতিক চাপে না পড়া পর্যন্ত তাদের কট্টর অবস্থান থেকে সরে আসবে না। কিছুটা নরম অবস্থার আভাস মাঝে মাঝে পাওয়া যায়, তবে তার ওপর আস্থা রাখা যায় না।
আমরা মনে করি, বাংলাদেশকে আরও সরব কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এই সংকটের সময় আমাদের ঝগড়াটে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতার রাজনীতির গৎবাঁধা বাকোয়াজ বন্ধ রেখে রোহিঙ্গা ইস্যুতে অভিন্ন স্লোগান নিয়ে মাঠে নামতে হবে। দেশের অভ্যন্তরে অনেক সংগঠনই পথে নেমেছিল। এখন অনেকের মধ্যেই ক্লান্তি লক্ষ করা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আমি বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও তাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষাকে অপমানিত করে মিয়ানমার প্রশাসন মানবতাকে যেভাবে লাঞ্ছিত করছে, এর বিরুদ্ধে তাদেরও পথে নেমে কণ্ঠ সোচ্চার করা উচিত। অনেক সময় একটি বড় অঘটনের মধ্য দিয়ে স্বস্তি খোঁজারও অবকাশ তৈরি হয়। আজ প্রয়োজন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ববিবেককে অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করানো। মিয়ানমার সরকারের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করা। এ পর্বেই নিশ্চিত করতে হবে প্রথমত, মিয়ানমার সরকার দ্রুত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের যাতে ফিরিয়ে নেয়, দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিয়ে বার্মিজ জনগণের মূল ধারায় ফিরিয়ে নেয়। মূল সমস্যা জিইয়ে রেখে কোনো টোটকা সমাধান সংকটের স্থায়ী নিষ্পত্তি হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আদালত সক্রিয় হলে মিয়ানমারের ওপর একটি ইতিবাচক চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আমাদের বিশ্বাস। বিপন্ন মানবতাকে রক্ষার জন্য বিশ্ববাসীকেই উদ্যোগী হতে হবে।
লেখক অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
