ইলিশে ভরপুর চাঁদপুর

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:১৬ এএম

মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এসে ইলিশে ভরপুর চাঁদপুরের মাছঘাটে। ইলিশ বেচাকেনায় কর্মমুখর ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। দাম নাগালের মধ্যে থাকায় বাজারে এসে ক্রেতারাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন।

চাঁদপুরে মৌসুমের শুরু থেকে ইলিশের দেখা না পেলেও বর্তমানে মাছে ভরপুর। দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও সাগর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ধরা পড়া ইলিশ নৌকা ও ট্রাকে করে চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছঘাটে নিয়ে আসছেন জেলেরা। একই সঙ্গে চাঁদপুরের জেলেরাও আগের চেয়ে বেশি মাছ পাচ্ছেন নদীতে। বাজারে ইলিশের সয়লাবে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে।

ইলিশ ব্যবসায়ী বারী জমাদার, আকবর আলী জানান, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, আলেকজান্ডার, সন্দ্বীপ, হাতিয়াসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইলিশ আসছে বেশি। বর্তমানে মাছঘাটে তিন থেকে চার হাজার মণ ইলিশ আসছে। এর মধ্যে চাঁদপুরের স্থানীয় নদীর মাছ আসছে ৫০০-৬০০ মণ। ইলিশের সয়লাবে দামও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে বলে জানান তারা।

বাজারে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বর্তমানে ইলিশের দাম তুলনামূলক কিছুটা কম রয়েছে। এতে করে আমরা ইলিশের স্বাদ নিতে পারছি। তবে স্থানীয় নদীর ইলিশ কম থাকায় এর দাম কিছুটা বেশি।

বর্তমানে ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশ কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া এক কেজি সাইজের ইলিশ ৭০০ থেকে ৭৫০ এবং দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা দরে। স্থানীয় নদীর ইলিশ প্রকারভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শবে বরাত বলেন, মৌসুমের শুরুতে ইলিশ না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এখন ইলিশ বেশি পাওয়ায় হাসি ফুটেছে ব্যবসায়ীদের মুখে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত