দেশে করোনাভাইরাসে এক দিনে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন মৃত্যু নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫২ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৯২ জন। দেশে এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫১ জন হলো। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস নিয়ে সর্বশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে দেশে গত ৪ মাসে করোনভাইরাসে সর্বনিম্ন শনাক্ত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। শনাক্তের হার ছিল ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এর আগে ৯ মে এর চেয়ে কম শনাক্ত হয়। ওই সময় শনাক্তের হার ছিল ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯৪টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৯৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৭টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৯ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত এক দিনে মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৯ জন ও নারী ১৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৫ জন হাসপাতালে এবং ১ জন বাড়িতে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ২২ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৪ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং ২ জন করে মোট ৪ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল। এর মধ্যে ১৬ জন ঢাকা বিভাগের, ৬ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২ জন করে মোট ৪ জন রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের, ৮ জন খুলনা বিভাগের এবং ১ জন করে মোট ২ জন সিলেট ও রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৩৬৩ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৯০৭ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন ৬২৭ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২২৬ জন । এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৭৫ হাজার ১৩৩ জনকে। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টাইন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে ১ হাজার ৬২৫ জনকে। কোয়ারেন্টাইন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৬ জন এবং এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৬ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৩৯৬ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫২ হাজার ৮৫ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইইডিসিআরের হিসাবে গত এক দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৩ হাজার ২৩৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮০৯ জন হয়েছে।
