মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ

প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান সালমান এফ রহমানের

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০৬ এএম

মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) জন্য প্রস্তুতি নিতে দেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি করোনা পরবর্তী স্বাভাবিক সময়ের জন্য ব্যবসায়ীদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ারও আহ্বান জানান।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএমসিসিআই) উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ’ বিষয়ক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এইসব আহ্বান জানানো হয়। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মালয়েশিয়া বাংলাদেশে ৯ম বিনিয়োগকারী দেশ। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশটি টেলিকম ও কম্পিউটারসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ৮০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। ওই বছরে দুই দেশের মধ্যে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন।

সালমান এফ রহমান বলেন, বিশ্ববাণিজ্য ও বিনিয়োগের বর্তমান পরিস্থিতিতে সামনে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সময় আসছে। জিডিপিতে বাংলাদেশের ট্যাক্সের অবদান দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। তাই জিডিপির ধারা অব্যাহত রাখতে আগামীতে করের জাল বিস্তার ও কম ট্যাক্স হারের পরিকল্পনা করতে হবে।

বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীনের বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ১৩টি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে এফটিএ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। মালয়েশিয়া এ তালিকার শীর্ষ ৪-৫ নম্বরে রয়েছে। এই চুক্তি দুদেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে নতুন নতুন অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা করছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে সরাসরি যুক্ত এবং তিনি বলেছেন, দেশি-বিদেশি সব বিনিয়োগকারীকে সমান গুরুত্ব দিতে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আমির ফরিদ আবু হাসান বলেন, ৪৮ বছর আগে শুরু হওয়া মালয়েশিয়া-বাংলাদেশের সম্পর্ক দিনে দিনে আরও শক্ত হচ্ছে। মুক্ত অর্থনীতিতে মালয়েশিয়া তার প্রধান বাণিজ্যিক বন্ধুদের সঙ্গে অর্থনীতিসহ বাজার ব্যবস্থায় যেকোনো ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত।

বিএমসিসিআইর সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, দুই দেশের মধ্যে সক্ষমতার অভাবে বিস্তর বাণিজ্যিক পার্থক্য রয়েছে। কেবলমাত্র চিংড়ি আর সামান্য কিছু পোশাক রপ্তানি করে এই পার্থক্য দূর করতে পারব না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত