ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন মুখের দুর্গন্ধ

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২৩ পিএম

এখন মাস্ক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যারা বাইরে কাজ করেন দিনের অধিকাংশ সময় মাস্ক ব্যবহারের ফলে তাদের মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে। যা নিজেকে এবং অন্যকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।

দীর্ঘসময় মুখ বন্ধ করে রাখলে ব্যাকটেরিয়ার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। এর থেকে বিভিন্ন রোগ হতে পারে। লিম্ফোয়ডে যদি কোনো সমস্যা থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। কারও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে নিঃশ্বাসের সঙ্গে দুর্গন্ধ আসতে পারে। কিডনির সমস্যা হলেও মুখের ভেতর গন্ধ হতে পারে। গ্যাসটোইনটেসটাইনাল সমস্যার জন্যও এটি হতে পারে।

কিছু সমস্যা মেডিসিনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও আমরা কিছু সহজ উপায়ে এর প্রতিকার পেতে পারি। যেমন -

মৌরি

এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ কমায়। কিছু মৌরি মুখে নিয়ে চিবিয়ে নিলেই মিলবে প্রতিকার।

বেকিং সোডা

প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে অল্প পরিমাণে বেকিং সোডা মিশিয়ে কুলকুচি করলে এই সমস্যা দূর হবে। আবার বেকিং সোডা দিয়ে ব্রাশ করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

এলাচ

কাজের ফাঁকে ২/৩টি এলাচ মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ফেলে দিন। ক্ষণিকের মধ্যেই দুর্গন্ধ দূর হবে।

নারিকেল তেল

এই তেলের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান নিমিষে গন্ধ সৃষ্টি করা ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। ফলে মুখের গন্ধ দূর হতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে এক চামচ নারিকেল তেল মুখে নিয়ে ভালো করে কুলি করুন। কম করে ৫ মিনিট করতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

এই প্রাকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতে খাওয়ার আগে অল্প পরিমাণে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার নিয়ে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে। এমনটি করলে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে, অন্যদিকে পেটের রোগ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও হ্রাস পাবে।

লেবুর রস

নিয়মিত লেবুর রস পানের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। লেবুতে থাকা অ্যাসিডিক কনটেন্ট মুখ গহ্বরে থাকা জীবাণু ধ্বংস করে দুর্গন্ধ দূর করে।

লবঙ্গ

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এর জুড়ি মেলা ভার। কাজের ফাঁকে ৩/৪টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে রাখলে এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ দুর্গন্ধ দূর করতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

এছাড়াও প্রতিদিন দুবার ব্রাশের কোনো বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে আমাদের দাঁত সুস্থ থাকে। সুস্থ দাঁত এবং সুন্দর হাসি আমাদের ব্যক্তিত্ব আরও শোভন করে তোলে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত