সিআইডির মামলা

১৯৫ কোটি টাকা পাচার করেছেন সম্রাট

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৬ এএম

বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই রাশেদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন। সম্রাট তার সহযোগী এনামুল হক আরমানের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ১৯৫ কোটি টাকা পাচার করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিআইডি বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মেসার্স হিস মুভিজ নামে কাকরাইলের একটি অফিসে অবস্থান করে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে সম্রাট। এরপর সহযোগী আরমানের মাধ্যমে এসব অর্থ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেন তিনি। রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, ফকিরাপুল এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে উপার্জিত এসব অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ৩৫ বার, মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইতে দুইবার এবং হংকংয়ে একবার ভ্রমণ করেছেন সম্রাট। এ ছাড়া আরমান ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ২৩ বার ভ্রমণ করেছেন। সম্রাট ও আরমান এসব অবৈধ অর্থ দিয়ে যৌথভাবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে প্রথম গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কারও করা হয়। এর পরপরই সম্রাট ও তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে যান। একই বছরের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। একই সঙ্গে তার সহযোগী ও মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত