দেশে দ্রুত করোনা শনাক্তে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মধ্যে ঠেলাঠেলি চলছে। একদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়েই তিনি গণমাধ্যমকে এ পরীক্ষা শুরুর কথা বলেছেন। সেটাই অনুমোদন। কিন্তু এখনো শুরু না হওয়ায় কারণ হিসেবে মন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘ব্যুরোক্রেসির ধীরগতি’কে দুষছেন। করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলছে, তারা অনেক আগেই শুরুর পরামর্শ দিয়েছে। কেন শুরু হচ্ছে না, সেটা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলতে পারবে। আবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, এখনো এই পরীক্ষা শুরুর সরকারি কোনো নির্দেশনা তারা পায়নি। এরই মধ্যে গত ৩১ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পর্যালোচনা দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নীতিমালা ফেরত দিয়েছে। ফলে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হওয়া নিয়ে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঠেলাঠেলি চলছে। দেরির জন্য একে অপরকে দুষছে। ফলে ঠিক কবে নাগাদ এ পরীক্ষা দেশে শুরু হতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট কিছুই বলতে পারছেন না কেউ।
গতকাল সোমবার এ নিয়ে দেশ রূপান্তর স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই শুরুর অনুমোদনের চিঠি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে পাঠাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের আরও কিছু নমুনা পরীক্ষা বাকি। তারপরই তারা বলতে পারবে, কবে নাগাদ শুরু করা যাবে। আর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, পরীক্ষার কিট আনতে ও পরীক্ষা শুরুর ব্যাপারে সরকারি কোনো অনুমোদন তারা পাননি। ফলে চার মাসেও অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি সরকার।
দেশের করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি গত ৩ জুন করোনা শনাক্তে আরটিপিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করার সুপারিশ করে। পরে ২৪ জুন র্যাপিড অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। পরে জুলাই মাসের মাঝামাঝি বিদেশ থেকে আমদানি এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দুই ভাগে ভাগ করে অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি নীতিমালা তৈরি করা হয়। সে মাসেই করোনার সার্বিক পরীক্ষার ব্যাপারে (অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি টেস্টসহ) একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সর্বশেষ ২৪ আগস্ট সরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরিতে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ওই দিন সচিবালয়ে একটি সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হবে। অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই ৩১ আগস্ট কভিড-১৯ ল্যাবরেটরি সম্প্রসারণ নীতিমালার সুপারিশ পর্যালোচনাক্রমে একটি চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করে আবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পাঠাতে বলা হয়।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমাদের গতি ও ব্যুরোক্রেসির গতি তো এক নয়। ব্যুরোক্রেসির গতি একটু ধীর। আজকেও (গতকাল) বলেছি, কবে অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, আপনারা এখনো কেন চিঠিটা ইস্যু করেন না। আশা করি কাল-পরশুর (আজ মঙ্গল ও বুধবার) মধ্যে হয়ে যাবে। যখন আমি গণমাধ্যমকে বলে দিয়েছি, তখনই তো প্রাথমিক অনুমোদন হয়ে গেছে। আমি তো বলেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়েই।
অনুমোদনের ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আপত্তি কোথায়জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপত্তি কোথায় সেটা তো কিছু বলেনি। আটকে আছে ব্যুরোক্রেসির ফর্মালিটির কারণে। এটা লাগবে, ওটা লাগবে, এসব আরকি। এখন হয়ে যাবে। আমরা তো অনুমোদন দিয়েই দিয়েছি। সরকারি নিয়মকানুন কিছু আছে, সেটা তো করতেই হয়। এটা একজন একটু তাড়াতাড়ি করে, আরেকজন একটু ধীরে করে।
তাহলে কবে নাগাদ দেশে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হতে পারেএমন প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক জায়গায় শুরু হয়ে গেছে। অল্প আকারে শুরু হয়েছে, এখন বড় আকারে শুরু হবে। তা ছাড়া কিট তো আনতে হবে। কিছু যন্ত্রপাতিও লাগে। সেগুলো আনতেও কিছুটা সময় লাগে। এগুলো সব আনা হলে একবারে পুরোদমে শুরু হবে।
অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করা যাচ্ছে না কেন, কোথায় ও কী কারণে আটকে আছে? জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঠিক আটকে আছে বলা উচিত নয়। আমরা কাজ করছি। এই টেস্টটা বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন করেনি। তারা এ টেস্টের ব্যাপারে নির্দেশনা কেবল দিয়েছে। আমরা গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করছিলাম সবকিছু। কোথায় (কোন দেশে) কোনটা (পরীক্ষার কিট) পাওয়া যায়, কোনটার দাম কেমন, বাংলাদেশে কোন কিটটা আনা যাবে, বিষয়গুলো আমরা দেখছিলাম। কোনটার সেনসিটিভিটি ও ভ্যালিডিটি ভালো, সেসব কিট দিয়ে আমরা করতে চাই। এ ছাড়া এই পরীক্ষার ভ্যালিডেশন (কোন ডাটার শুদ্ধতা পরীক্ষা) নিয়েও কাজ করছি। ইতিমধ্যেই আইইডিসিআরের ১০০ নমনুা টেস্ট করা হয়েছে। আরও কিছু নমুনা পরীক্ষা করে রেজাল্ট দেখে তারপর কিট কিনতে চাই। যদি ভালো রেজাল্ট না দেয়, তাহলে একবার কিনে ফেললে নষ্ট হবে।
১০০ নমুনার অ্যান্টিজেন টেস্টের রেজাল্টের ব্যাপারে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, রেজাল্ট খারাপ ছিল না। তবে সার্বিক বিচারে ১০০ নমুনা কম হয়ে যায়। তবে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা যে রেজাল্টের কথা বলছে, সেটার কাছাকাছি পেয়েছি আমরা। এখন এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে এটার সেনসিটিভিটি ৮০ শতাংশের মতো হতে হয়। এর নিচে হলে এই পরীক্ষা করা যায় না। বিশ^ স্বাস্থ্যের নির্দেশনা হলো সেনসিটিভিটি ৮০ শতাংশ বা এর ওপরে হতে হবে। আমরা যে ১০০টা পরীক্ষা করেছি, সেখানে ৮০ শতাংশের মতোই পেয়েছি। সে কারণে আরও কিছু নমুনা টেস্ট না করে এ পরীক্ষা শুরু করতে পারি না। ভারত যখন করছিল, তারা ৫০ শতাংশ সেনসিটিভিটি পেয়েছিল। সে জন্য আমরা আরেকটু সতর্ক হয়েই করতে চাইছি। এটাই শুরু না হওয়ার ক্ষেত্রে একটা ইস্যু। কারণ এখানে ‘ফলস’ নেগেটিভ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ যাকে নেগেটিভ বললাম, তিনি নেগেটিভ না-ও হতে পারেন। এ কারণে নেগেটিভ হওয়ার পর তার আবার পিসিআর টেস্ট করতেই হবে। তারপরই কেবল বলা যাবে সত্যিকার অর্থে নেগেটিভ, নাকি ‘ফলস’ নেগেটিভ পাচ্ছি। তারপরও আমরা অ্যান্টিজেন টেস্ট আনতে চাই, যেহেতু এটা করা সহজ হবে, অনেক বড় ল্যাবরেটরি লাগবে না। যেসব জায়গায় এখন পিসিআর মেশিন নেই, সেসব জায়গায় এটা শুরু করতে চাই। নীতিমালাটা চূড়ান্ত হওয়ার পর্যায়ে আছে। এই ফাঁকে আমরা ভ্যালিডেশন (পরীক্ষার শুদ্ধতা) করে ফেলছি। এ ছাড়া আমরা আরও কিছু নমুনা পরীক্ষা করতে চাই। সেটা করতে ১০ দিনের মতো সময় লাগবে। কারণ কিটটা দেশে সহজলভ্য নয়। এটা আনার জন্য এখনো অনুমোদন নেই। শুধু ভ্যালিডেশনের জন্য কিছু কিট আনা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটা নীতিমালা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল, সেটা আবার মন্ত্রণালয় ফেরত দিয়েছেকারণ কী? এ প্রশ্নের উত্তরে অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা খসড়া পাঠিয়েছিলাম। সেটা দেখে তারা (মন্ত্রণালয়) কিছু নির্দেশনা দিয়ে আবার চূড়ান্ত করে পাঠাতে বলেছে। তারা নীতিমালার একটা সারমর্ম চেয়েছে। কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। সেটা আমাদের ল্যাব কমিটি দেখে ঠিক করে আবার পাঠাবে। এ সপ্তাহের মধ্যেই আবার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব।
মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এটা শুধু অ্যান্টিজেন টেস্টের নীতিমালা নয়। এটা সার্বিক টেস্টের নীতিমালা। সেখানে অ্যান্টিজেন টেস্ট একটা পয়েন্ট। এই নীতিমালা বেশ আগে করা হয়েছিল, তখনকার প্রেক্ষাপটে। এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন এসেছে। সেই অনুযায়ী এখনকার প্রেক্ষাপটে ও আমরা যেহেতু ভ্যালিডেশন করছি, সবকিছু যুক্ত করে, কীভাবে এই পরীক্ষা করব সবকিছু সংযুক্ত করে নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া পাঠাব।
তবে কবে নাগাদ অ্যান্টিজেন টেস্ট দেশে শুরু হতে পারে, এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট সময় বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, যত দ্রুত শুরু করা যায়, আমরা সে চেষ্টা করছি। এখানে কারও কোনো গাফিলতি নেই। সবাই কাজ করছে। কিটটা যেহেতু টাকা দিয়ে কিনতে হবে, তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে শুরু করাটা ঠিক হবে না।
অ্যান্টিজেন টেস্ট দেরিতে শুরু হলে দেশ সংক্রমণের নতুন ঝুঁকিতে পড়তে পারে কি না, জানতে চাইলে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ঝুঁকিটা হচ্ছে, যত তড়াতাড়ি রোগটা চিহ্নিত করতে পারব, তত দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারব। এখন রোগীর সংখ্যাও কমে এসেছে। এ কারণে নমুনা সংগ্রহ কম হচ্ছে। এখনো যেসব জায়গায় সংক্রমণপ্রবণতা বেশি এবং যেখানে পিসিআর মেশিন নেই, সেখানে কত দ্রুত অ্যান্টিজেন বা পিসিআর টেস্ট শুরু করা যায়, আমরা সেটা নিয়ে কাজ করছি। আরও কিছু পিসিআর মেশিন কেনার কাজ চলছে। সেটা হতে কিছুটা সময় লাগবে। আমাদের লক্ষ্য সব জায়গায় যাতে পিসিআর মেশিন দেওয়া যায়, সেটা নিয়েই কাজ করছি। অ্যান্টিজেন ভালো টেস্ট পেলে আমাদের সুবিধা হবে আমরা ‘পয়েন্ট অব ডায়াগনস্টিক’, অর্থাৎ একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও করতে পারব।
জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা অনেক আগেই অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করার কথা বলেছি। কেন শুরু হচ্ছে না, সেটা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলতে পারবে। তাদের জিজ্ঞেস করেন। ওরা আমাদের আগেই বলেছিল, ওরা কিট খুঁজছে। ভালো কিট পেলেই আমরা শুরু করব।
অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হতে দেরি হলে সংক্রমণের কেমন ঝুঁকিতে পড়তে পারে দেশ? জানতে চাইলে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, আমাদের টেস্টের সংখ্যা কমে গেছে। অনেক জেলায় পিসিআর মেশিনই নেই। টেস্টের খুব অসুবিধা হচ্ছে। অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হলে হাসপাতালের খুব সুবিধা হবে। কোনো রোগীর অপারেশনের আগে টেস্ট করে তিনি করোনায় আক্রান্ত কি না, জানা যাবে। যদি কভিড হন, তাহলে তাকে কভিড ডেডিকেটেড ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) নেওয়া হবে। আর যদি কভিড না হন, তাহলে সাধারণ ওটিতেই অপারেশন করা যাবে।
এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অ্যান্টিজেন টেস্টের ভূমিকা আছে। আমরা বুঝতে পারব সংক্রমণের হার কমছে না বাড়ছে। সে অনুযায়ী রোগটি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে পারব। তবে কভিড নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে, হাত ধুতে হবে, হাঁচি-কাশির সংস্কৃতি মানতে হবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ও অধিদপ্তরের স্পোকসম্যান আইয়ুব হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, সরকার যদি এ পরীক্ষার অনুমতি দেয় তা হলে আমাদের কাজ হলো এই পরীক্ষার কিটের ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া। কেউ যদি আমদানি করে, কেউ যদি স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করতে চায়, সেটার অনুমতি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে নিতে হবে। আমার জানা মতে, এই পরীক্ষা ও পরীক্ষার জন্য কিটের অনুমতি এখনো সরকার দেয়নি। আমরা এখনো অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দিচ্ছি না। এখনো পিসিআর পদ্ধতিতেই টেস্ট হচ্ছে। এ ছাড়া অ্যান্টিজেন টেস্টে যদি কারও নেগেটিভ আসে, তাহলে তার আবার পিসিআর টেস্ট করতে হবে। পজিটিভ হলে সমস্যা নেই। তবে এই কিট আমদানি ও অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দেবে সরকার। সরকার যদি ব্যাপকভাবে অনুমতি দেয়, তাহলে সেটা বেসরকারিভাবেও ব্যবহার করতে পারবে। এখনো এই কিট আমদানি বা এ ধরনের পরীক্ষার ব্যাপারে সরকারিভাবে কোনো নির্দেশনা আসেনি।
