লঞ্চে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৯ এএম

বরিশালে একটি লঞ্চের কেবিনে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার ভোরে এমভি পারাবত-১১ নামে লঞ্চটি বরিশাল নদীবন্দরে পৌঁছার পর কেবিন থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তাৎক্ষণিকভাবে তরুণীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে তার বয়স আনুমানিক ২০-২৫ বছর হবে। লঞ্চে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে অভিযুক্ত শনাক্ত হলেও তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারাবত লঞ্চের স্থানীয় কর্মকর্তা মো. সেলিম জানান, গত রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার সদরঘাট থেকে ওই নারীকে নিয়ে লঞ্চের তিনতলার ৩৯১ নম্বর সিঙ্গেল কেবিনে ওঠেন এক ব্যক্তি। রেজিস্টার তালিকায় তার নাম লেখা হয় কামরুল। মুঠোফোন নম্বর দেওয়া হয় ০১৭১১০২৫০৯২। গতকাল ভোর পৌনে ৫টার দিকে লঞ্চটি বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করলে সঙ্গে থাকা ব্যক্তি ওই নারীর ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে দ্রুত নেমে যায়। এ সময় মাস্ক পরিহিত ছিল। সব যাত্রী নেমে গেলেও ওই নারী না নামায় কেবিন বয়রা তাকে ডাকাডাকি করে। কিন্তু কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। 

বরিশাল সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটের পরিদর্শক আল-মামুনুল ইসলাম জানান, ওই নারীর গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. জাকারিয়া রহমান জানান, এ ঘটনায় নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টাসহ মামলার প্রস্তুতি চলছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করতে তার ছবি বিভিন্ন বাস টার্মিনালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক তরুণের বিরুদ্ধে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পদমদি গ্রামের ওই ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে আশিক হোসেন (১৯) নামে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত আশিক ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত