এএফসি হেলথের আইপিও অনুমোদন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩৯ পিএম

২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে এএফসি হেলথ লিমিটেডের আয় ছিল ২৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, যা তিন বছরের মধ্যে ১৬৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। এ সময়ে কোম্পানির নিট মুনাফা বেড়েছে ৯ গুণেরও বেশি। প্লেসমেন্টের অর্থে স্বাস্থ্য সেবা খাতের এই কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ১৪৫ কোটি টাকা। গতকাল এই কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

এএফসি হেলথ লিমিটেডের আইপিও প্রসপেক্টাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আইপিওতে আসার আগে ২০১৮ সালে কোম্পানিটি ৭৫ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু করেছে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত এএফসি হেলথের পরিশোধিত মূলধন ছিল ৭০ কোটি টাকা। এখন কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ১৭ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ফলে আইপিও-পরবর্তী এএফসি হেলথের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ১৬২ কোটি টাকা। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত ১৭ কোটি টাকা দিয়ে কোম্পানিটি সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৩৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে, যা আইপিও-পরবর্তী ৩১ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসবে। অবশিষ্ট শেয়ারের মধ্যে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৬১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার।

দেশের খুলনা, যশোর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লাতে এএফসি হেলথের হাসপাতাল রয়েছে। ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে এএফসি হেলথের রেভিনিউ ছিল ১৬৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে এ কোম্পানির রেভিনিউ ছিল ৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে এএফসি হেলথের পরিচালন আয় হয় ৪৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এ সময় সুদ পরিশোধে কোম্পানির ব্যয় হয় ২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। কর পরিশোধের পর কোম্পানির নিট মুনাফা দাঁড়ায় ২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৮ পয়সা। ভারিত গড় হারে কোম্পানির ইপিএস হচ্ছে ৪৮ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩০ পয়সা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত