আইসিসির চ্যালেঞ্জ দেখছেন ফ্লাওয়ার

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:০৯ এএম

কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে আইসিসি। আগামী দশকে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। একদিকে বিভিন্ন সদস্য দেশের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট, অন্যদিকে আইসিসির নিজস্ব আসর। ক্রিকেটাররা একের পর এক খেলায় ক্লান্ত। এরপর আবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, ওয়ানডে সুপার লিগ। সব মিলিয়ে ক্রিকেটারদের যেন বিশ্রামের ফুরসত নেই। আইসিসিকে তাই বছরজুড়ে এসব আসর ও দ্বিপক্ষীয় সিরিজের সঠিক বিন্যাস করতে হবে। আর এই চ্যালেঞ্জ সামলাতে গিয়ে আইসিসিকে কঠিন অবস্থার মুখে পড়তে হবে বলে মনে করেন অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। জিম্বাবুয়ের এই গ্রেট এবারের আসর দিয়ে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরু করছেন। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের কোচ তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতেই আইসিসির ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের মতো জানালেন।

দেশগুলোর নিজস্ব টি-টোয়েন্টির ভিড়ে আইসিসির আসর এলেই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। বছরপ্রতি একটি টুর্নামেন্ট করতে গিয়ে আইসিসিকেই বিপদে পড়তে হচ্ছে। কারণ, ওয়ানডে চার বছর পর করতে চাইলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দুই বছর অন্তর করতে চায় আইসিসি। সেজন্য আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসর বিসর্জন দিতে হয়েছে। এখন দু’বছর অন্তর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ করাও কঠিন বলে মনে করেন ফ্লাওয়ার। সাবেক জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘আইসিসির জন্য এটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। কারণ যেভাবে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তা বাড়ছে সেখানে নিজেদের আসরের জন্য ভারসাম্য খুঁজে পাওয়াটা কঠিন। আইসিসি সামনের দশকে ব্যাপারটা কীভাবে সামলায় তা দেখা রোমাঞ্চকর হবে।’

আইসিসি আসর ও টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের বিষয়ে বলার পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা ধরে রাখার ব্যাপারেও মত দিলেন ফ্লাওয়ার। করোনার পর ইংল্যান্ডে দুটি টেস্ট সিরিজের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা দুটি দারুণ উদাহরণ দেখলাম ইংল্যান্ডে। করোনার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি সিরিজ আয়োজন করে ইংল্যান্ড সফল হয়েছে। আমরা স্পন্সর, ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। আমি বিশ্বাস করি ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া এখনো টেস্ট ক্রিকেটে প্রবল আগ্রহ রাখে। আইসিসিকে এই বিষয়েও সুচিন্তিতভাবে ভারসাম্য রাখতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত