মাগুরায় দুটি বাস ও একটি মাইক্রোবাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার মঘি এলাকার এ দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন।
নিহতরা হলেন চাকলাদার পরিবহনের সুপারভাইজার আমিন মিয়া (৪০), বাড়ি যশোর সদরের রুপদিয়া গ্রামে। হেলপার আরিফ হোসেন (২২), বাড়ি যশোরের শংকরপুর গ্রামে। যাত্রী ফকরুল ইসলাম (৩৮), বাড়ি নরসিংদীর দত্তপাড়ায়। অন্যজন যশোরের শার্শা এলাকার নূর ইসলাম (৫৫)। আহতদের মধ্যে সুরাইয়া (১০), সাজ্জাদ (৪৮), ইসরীন (৩০), নূর হোসেন (৩৫), মতিয়ার (৪৫), তৌফিক (৩০), মাধবী লতা (৩৫), ফারুক (৫০), সোনা বড়ু (৪২), লাল মিয়া (৫২), মুকুল (৩০), আবদুল খালেক (৩৮), হারুন (৮০), রাসেল (১৮), প্রশান্ত (৩৫), নাছিম (২৭) ও স্নিগ্ধা (২৩) মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সদর থানা ওসি জয়নাল আবেদিন জানান, বরিশাল থেকে যশোরগামী চাকলাদার পরিবহনের একটি বাস ও একই দিকে যাওয়া একটি মাইক্রোবাস দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চাকলাদার পরিবহনের সুপারভাইজার, হেলপার ও দুই যাত্রী মারা যান। এ সময় আহত হন ৩০ জন। দুর্ঘটনার সময় চাকলাদার পরিবহনের বাসটি খাদে পড়ে যায়।
মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক মাসুদ সরদার জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। বিকেল ৫টায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মলয় রায় জানান, গোপালগঞ্জে ডাম ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপচালক মো. আলাউদ্দিন (২২) নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাথালিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের বাড়ি খুলনার বয়রা এলাকায়। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তা মলয় রায়।
