ভোলাগঞ্জ-সুতারকান্দি শুল্ক স্টেশনে সুবিধা বাড়ানোর দাবি

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৩ এএম

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার সুতারকান্দি শুল্ক স্টেশনে সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন আমদানি-রপ্তানিকারকরা। শুল্ক স্টেশনে নিজস্ব ভবন ও গুদামঘরের অভাবে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। এ অবস্থায় আমদানি-রপ্তানির সুবিধার্থে শুল্ক স্টেশনে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল রবিবার সিলেট চেম্বার অব কমার্স নেতাদের সঙ্গে সভায় তারা এ দাবি জানান। চেম্বার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট চেম্বারের সভাপতি আবু তাহের মোহাম্মদ শোয়েব।

এ সময় ভোলাগঞ্জ, সুতারকান্দি ও তামাবিল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারকরা তাদের বিভিন্ন অসুবিধার কথা চেম্বার নেতাদের কাছে তুলে ধরেন। তারা বলেন, সিলেটের প্রায় সবকটি শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত থেকে কয়লা, পাথর ও চুনাপাথর আমদানি হয়। কিন্তু তামাবিল ছাড়া অন্য কোনো শুল্ক স্টেশনে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ভবন ও গুদাম নেই। তারা তামাবিলের মতো অন্যান্য শুল্ক স্টেশনে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানান। এছাড়াও পণ্য আমদানি না হলে আমদানির আগে প্রদান করা অগ্রিম শুল্ক-কর সহজে দ্রুত রিফান্ডের ব্যবস্থা, করোনার কারণে ট্রেড লাইসেন্সের সঙ্গে অগ্রিম আয়কর রহিত, গাড়ির চাকার সংখ্যার ভিত্তিতে ওজন নির্ধারণ না করে প্রকৃত ওজন পরিমাপ করে শুল্ক আরোপ করা, তামাবিল স্থলবন্দরের ডাম্পিং স্পেসের ভাড়া কমানোর দাবি জানান আমদানিকারকরা।

চেম্বার সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীদের বড় অংশ আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় জড়িত। সিলেটের বিভিন্ন শুল্ক স্টেশন দিয়ে পণ্য আমদানি হয়ে সারা দেশে সরবরাহ হয়ে থাকে। তাই তাদের দাবি পূরণ করতে হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কথা ইতিমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এর সুরাহা হবে। তিনি জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান সিলেট চেম্বার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন। সভায় সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে আমদানি-রপ্তানিকারকদের দাবিগুলো প্রস্তাব আকারে পেশ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত