ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করার পর হাসান আল মামুনকে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়ে ওই ছাত্রীর করা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। গতকাল বুধবার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
তদন্ত কমিটিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় পরিষদের দুজন যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান ও রাফিয়া সুলতানাকে রাখা হয়েছে। তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপারিশসহ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ছাত্র অধিকার পরিষদ গণমানুষের যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। নারীর প্রতি বৈষম্য ও নিপীড়ন দমন এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ছাত্র অধিকার পরিষদ সব সময়ই সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে এবং সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ সংগঠনটির ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ এনে লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক ছাত্রী।
