ঢাকা -৫ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রচারণায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এতে সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুর মিলনসহ বিএনপির ১০জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে কদমতলী থানার ৬১ নং ওয়ার্ড কুদারবাজার এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক দল সন্ত্রাসী এ হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন জানান, আহত সাংবাদিক মঞ্জুর মিলনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিন এ সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের জন্য। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে নামার আগে আমাদের জানানোর কথা। কিন্তু বিএনপির প্রার্থী আমাদের কিছু জানায়নি। তাছাড়া হামলার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। তারাও আমাদের কিছু জানায়নি।
এর আগে নির্বাচনী প্রচারণায় সালাহউদ্দিন আহমেদ নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাই আমরা মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। আমি এই এলাকার সন্তান, এই এলাকা থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আমরা ১৭ অক্টোবর ভোট কেন্দ্রে থাকব। আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন।
এদিন বিকেল সাড়ে তিনটায় সালাহউদ্দিন আহমেদ কদমতলীর ৬১ নং ওয়ার্ড এর কুদারবাজার মোড় এলাকা থেকে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করে বাবর আলী মার্কেট, হাজী নাসির উদ্দিন রোড, সরাই মসজিদ রোড, হাজী কমর আলী সড়ক, দক্ষিণ কুতুবখালি, উত্তর কুতুবখালি খালপাড়, দনিয়া কবরস্থান রোড, দনিয়া রোডসহ দনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের কাছে যান। এ সময় তার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের ৬১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সাবেক দনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুম্মন মিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাদলসহ কয়েক শত নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
