দেশে অবস্থারত বাংলাদেশিরা সৌদি আরব যেতে চাইলে সে দেশের নিয়োগকর্তার (কফিল) ছাড়পত্র লাগবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচ দেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আব্দুল মোমেন বলেন, চাকরিদাতারা যদি চাকরি না দেন, তবে কর্মীরা যেতে পারবেন না।
এ সংকট সমাধানে সরকার কী করছে- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি বলেন আমরা কী করতে পারি? আপনি চাকরি দেবেন বলেছেন, কিন্তু দিলেন না। এ ক্ষেত্রে আমরা কী করতে পারি?’
রাজপথে প্রবাসীদের আন্দোলনের বিরোধিতা করে আব্দুল মোমেন বলেন, যেহেতু তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, তাদের নতুন চাকরি খুঁজতে হবে। তাদের বেশি অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। মালিক যদি চাকরি না দেন, তবে কী করার আছে। সরকার তো কারও চাকরি দিতে পারে না।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ছয় হাজার লোক সৌদি আরব গেছেন এবং তারা অনুমতি নিয়েই গেছেন।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ জানান, এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ২৫ হাজার বাংলাদেশিকে নতুন ভিসা ইস্যু করেছিল সৌদি আরব এবং এই ভিসাগুলো বাতিল হয়ে গেছে ব্যবহার না করায়।
তিনি বলেন, ‘যাদের ভিসা বাতিল হয়ে গেছে তাদের সবাইকে নতুন করে ভিসা দেওয়া হবে। ১ অক্টোবর থেকে সপ্তাহে মোট ২০টি ফ্লাইট চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এর মধ্যে সৌদি এয়ারলাইনসের ১০টি ও বিমানের ১০টি।
ইমরান আহমেদ বলেন, আমাদের সমস্যা যা আছে, সেটি কূটনীতিকদের জানিয়েছি। এ কথাগুলো তাঁদের সরকারের কাছে যাবে। সেটার পরে ফলাফল কী হবে জানা যাবে। কিন্তু সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। কিন্তু সব সময় বিকল্প চিন্তা করতে হয়। আমি আশা করলাম, কিন্তু হলো না, তখন বিকল্প কী, সেটি ভাবতে হবে। বিকল্প পরিকল্পনা করে রাখতে হয়।
