স্কুলছাত্রী নীলা হত্যা

স্বীকারোক্তি শেষে কারাগারে মিজানুর

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৮ এএম

সাভারে ছুরিকাঘাতে দশম শ্রেণির ছাত্রী নীলা রায়ের (১৪) হত্যাকারী মিজানুর রহমান চৌধুরী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হাসানের আদালত তার এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় বলে জানিয়েছেন এ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) নির্মল কুমার দাস।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার কর্নেল ব্রিকস ফিল্ড এলাকা থেকে মিজানুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও রক্তমাখা জামা উদ্ধার করা হয়। পরে ২৬ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুরকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে মানিকগঞ্জের আরিচাঘাট এলাকা থেকে ফেরি পারাপারের সময় সেলিম পালোয়ান নামে মিজানুরের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার চারিগ্রাম থেকে মিজানুরের বাবা আবদুর রহমান (৬০) ও মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে মিজানুরের বাবা আবদুর রহমান, মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকা ও সহযোগী সেলিম পালোয়ান রিমান্ড শেষে কারাগারে আছেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে নীলা রায় ও তার ভাই অলক রায়ের পথরোধ করে বখাটে কিশোর গ্যাং সদস্য মিজানুর রহমান। পরে ভাইয়ের কাছ থেকে বোন নীলাকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের পরিত্যক্ত বাড়ির একটি কক্ষে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় মিজানুর। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নীলার বাবা নারায়ণ রায় বাদী হয়ে ২১ সেপ্টেম্বর মিজানুর রহমান, তার বাবা আবদুর রহমান ও মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত