কথিত অভ্যুত্থানের ‘অভিযোগে’ ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের ‘হত্যা’র জন্য সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সাতাত্তরের ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ ব্যানারে মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত সার্জেন্ট দেলোয়ার হোসেনের ছেলে নূরে আলম বলেন, ‘বাবা যখন হারিয়ে যান, তখন আমার বয়স দেড় বছর। সেদিন কী ঘটেছে, আমরা জানতে চাই।’
সাজাপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোবাহের আলীর ছেলে কে এম তমাল বলেন, ‘বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। তাদের কাছে একটাই দাবি, আমার বাবা ও তার সহকর্মীরা যে নির্দোষ ছিলেন, সেটি প্রমাণ করে দিন।’
২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিমানবাহিনীর করপোরাল গাজী গোলাম মাওলা হিরু মানববন্ধনে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বিমানবাহিনীর সাবেক করপোরাল নুরুল ইসলাম, মুনির শরীফ, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সাইদুর রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান লেলিন, অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত সার্জেন্ট আলী আহমেদে স্ত্রী রওশন আরা বেগম, বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় প্রমুখ।
