বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর আগে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষ হয়েছে নির্বিঘ্নেই। কোনো রকম হট্টগোল বা উত্তাপ ছড়ানো কিছুই ঘটেনি।
দুই ঘণ্টার মতো সময় ধরে হওয়া এমিএজে পাশ হয়ে গেছে সবকিছু। গত বছরের আয়-ব্যয়ের রিপোর্টসহ অনুমোদন হয়েছে আগামী বছরের বাজেটও।
নন ভোটিং ও ভোটিং ডেলিগেট মিলে ১৩৬ জন উপস্থিত ছিলেন এজিএমে। ১১ টায় শুরু হওয়া এজিম শেষ হয় ১টা নাগাদ। এরপর দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। চলবে ৬টা পর্যন্ত।
এজিএম শেষে বসুন্ধরা কিংস সভাপতি ও বাফুফে নির্বাচনে সহ-সভাপতি প্রার্থী ইমরুল হাসান বলছিলেন, ‘আমি দুটি এজিএমে অংশগ্রহণ করলাম। গত বছরের তুলনায় এবারের এজিএম অত্যন্ত সুশৃংখল ছিল। ডেলিগেটদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে সবার মধ্যে আনন্দ উৎসাহ ছিল। সবাই খুব উৎসব মুখর পরিবেশে এজিএমে অংশ গ্রহণ করেছে এবং কোনোরূপ হট্টগোল ছাড়াই এজিএম শেষ হয়ে গেছে।’
বর্তমান নির্বাহনী কমিটির সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, ‘এতো সুন্দর এজিএম দেখিনি আমি। আমরা ভালো কাজ করেছি, সব সাপোর্ট দিছে। ৯৮ শতাংশ শতঃফুর্ত। এজিএম হলো… সাধারণ সম্পাদক রিপোর্ট পড়তে পড়তে পাশ…।’
একই কথা বলেছেন আব্দুল্লাহ ফুয়াদ রেদওয়ান, ‘সবকিছুই পাশ হয়ে গেছে। সবার মাথায় এখন ঘুরতেছে নির্বাচন।’
তবে এজিএমে একটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন শরিয়তপুরের কাউন্সিলর মোজাম্মেল হক চঞ্চল। যেটিও খুব সহজ ভাবেই নিষ্পত্তি হয়েছে।
তবে এই কাউন্সিলর অভিযোগ করে বলেন, ‘ফিফা থেকে করোনা ফান্ড বরাদ্দ হয়েছে বাংলাদেশের নামে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা নির্বাচিত কমিটি না দেখাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই ফান্ড পাওয়া যাবে না। এই ফান্ড নেওয়ার কারণেই তড়িঘড়ি করে এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তারা এজিম করেছে। এই ফান্ডকে তারা কিভাবে খরচ করবে সেটার জন্য এজিএম করেছে।’
