জন্মের পর ছয় মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাবারে অভ্যস্ত করা জরুরি। তবে এর আগে জন্মের প্রথম বছরে কিছু নির্দিষ্ট খাবার এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-
মধু : মধুতে ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামে এক ধরনের রেণু থাকে, যা খেলে শিশুদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। এ কারণে জন্মের পর থেকে এক বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়।
গরুর দুধ : গরুর দুধে আয়রনের পরিমাণ কম থাকায় শিশুদের আয়রনের ঘাটতি হতে পারে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম ও কেসিন ডায়েটরি নন-হিম আয়রনের শোষণ বন্ধ করে দেয়।
ফলের রস : জুস শিশুদের প্রথম বছরে কোনো রকম পুষ্টি সরবরাহ করে না বলে ছয় মাসের ছোট শিশুদের ফলের রস খাওয়ানো ঠিক নয়।
চকলেট : চকলেটে মিল্ক সলিড থাকায় অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের এটি দেওয়া উচিত নয়।
বাদাম : শিশুদের বাদামে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এ কারণে ছোট শিশুদের পিনাট, পিনাট বাটার বা যেকোনো ধরনের নাট বাটার অবশ্যই এড়ানো উচিত।
সামুদ্রিক খাবার : সামুদ্রিক খাবার, বিশেষ করে শেলফিশ এবং অন্যান্য মাছে উচ্চ পরিমাণে পারদ রয়েছে। তাই এটি শিশুদের না দেওয়াই ভালো।
মাংস : জন্মের প্রথম বছরে শিশুদের মাংসজাতীয় খাবার দেওয়া উচিত নয়, কারণ এ বয়সে মাংস তারা হজম করতে পারে না। এছাড়াও এতে থাকা সোডিয়াম এবং প্রাণিজ ফ্যাট শিশুর পক্ষে ভালো নয়।
