সারা বছর রাস্তা কাটাকাটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘দশ টাকা বেশি খরচ হলেও সারা বছর কেন রাস্তা কাটাকাটি চলবে? ধুলোবালিতে ভারী ধাতু উড়ছে। মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। সব ইউটিলিটি লাইনের জন্য সড়কের পাশে ঢাকনাযুক্ত লেন রাখতে হবে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল ও দূষণরোধে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের বাস্তবায়ন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উন্নয়নসংক্রান্ত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, নৌসচিব মো. মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মানুষের কল্যাণে যত কাজ সব করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। হোল্ডিং ট্যাক্স সবাইকে দিতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে অনেক সøুইসগেট করবেন। এসব স্লুইসগেট করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এমএস, জিএস শিট থাকলে নষ্ট হয়ে যাবে। ড্রেন, কালভার্ট সঠিকভাবে করতে হবে। সমন্বয় করেই উন্নয়নকাজ করতে হবে। যাকে উন্নয়নকাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাকে সঠিকভাবে করতে হবে। উপর থেকে সুপারভাইজ করতে হবে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বন্দরের জায়গা ও কর্ণফুলীর পার দখল হয়ে যাচ্ছে। কর্ণফুলী নদীর পাড় লিজ দিয়ে ব্যবসাবাণিজ্যের সুযোগ কেন দিচ্ছেন? মহিউদ্দিন সাহেব আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। তার মধ্যে বেসিক দেশপ্রেম ছিল।
বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় অংশ নেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম আবুল কালাম আজাদ, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভিন তিবরীজি, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ, সিএমপি কমিশনার সালেহ মো. তানভীর, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
