এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস বা সহশিক্ষা কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের পছন্দের বিষয়ে অতিরিক্ত যোগ্যতা অর্জন করা। বিতর্ক, গান, নাচ, লেখালেখি, বক্তৃতা ইত্যাদি সহশিক্ষা কাজে নিজের পছন্দমতো অংশ নিতে পারো তোমরা, যা তোমাদের জীবনে বড়ই উপকার বয়ে আনবে। লিখেছেন তোয়াহা আজিজ
সিভি সমৃদ্ধ করে : বিদেশে স্কলারশিপ পেতে এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস দেখা হয়। অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি যাদের সহশিক্ষা কার্যক্রমেও হাত ভালো, তাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়। চাকরির ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। তাই যাদের বিদেশে পড়ার শখ বা করপোরেট অফিসে জব করার ইচ্ছা, তারা বেশি বেশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারো।
কর্মদক্ষতা বাড়ায় : খেলাধুলাসহ অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে যারা নিয়মিত অ্যাকটিভ থাকে, তারা শারীরিকভাবে কর্মঠ হয়। তাদের কাজ করার শক্তি ও মানসিকতা থাকে প্রবল। ফলে কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে তারা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ভালো করে থাকে। তাদের একটানা অনেকক্ষণ কাজ করতেও খুব একটা সমস্যা হয় না।
দলবদ্ধভাবে কাজ করতে শেখায় : একসঙ্গে কাজ করার ফলে শিক্ষার্থীদের মনে দলগত কাজের যোগ্যতা সৃষ্টি হয়। ফলে কর্মজীবনে টিমওয়ার্ক করতে তাদের অসহায় হতে হয় না। বিবাদ মেটানো, মানুষকে প্রভাবিত করা এবং নেতৃত্ব দেওয়া ইত্যাদি সহজেই শেখা যায়।
সৃজনশীলতা বাড়ায় : আগ্রহ, ব্যতিক্রমী চিন্তাধারা এবং সৃজনশীলতা সবার মধ্যে জন্মগতভাবে থাকে না। তাই সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করলে যে কেউ এসব গুণ অর্জন করতে পারে। এক্সট্রা কারিকুলারই এসব অর্জনের সবচেয়ে ভালো পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে। চিত্রাঙ্কন, গান, লেখালেখি এগুলো সৃজনশীলতা বাড়ায়। শিশু-কিশোররা যখন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়, তখন তাদের সামনে নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়। ফলে বদলে যায় তাদের চিন্তাধারা। তাদের কর্মকাণ্ডে আসে নতুনত্ব আসে।
(বাকি অংশ আগামীকাল)
