শিক্ষাজীবনে অর্জন করো নেতৃত্বের গুণাবলি

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২০, ০১:০২ এএম

যেকোনো কাজ সুসংগঠিতভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্বের। শিক্ষাজীবন থেকে নেতৃত্বের চর্চা করলে সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে তুমি একধাপ এগিয়ে থাকবে সবসময়। এই কাজ নিতান্তই সহজাত। একটু চেষ্টা ও চর্চা করলেই অর্জন করতে পারবে নেতৃত্বের গুণ। লিখেছেন ফখরুল মুজিব

আদর্শ ব্যক্তিত্ব নির্বাচন

প্রথমেই তোমাকে একজন মহান নেতাকে জীবনের আদর্শ হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। এমন কোনো নেতা, যার জীবনাদর্শ তোমাকে মুগ্ধ করে। আদর্শ মানুষটির ভালো গুণাবলি খাতায় টুকে নাও। এরপর নিজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখো, সেসব গুণ তোমার ভেতর আছে কি না। না থাকলে তা অর্জনের চেষ্টা করো।

নেতৃত্বগ্রহণ

 ক্লাস ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্বপালন করো। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনে নিজেকে সম্পৃক্ত করো। অধীনস্তদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হয়, কেমন ধৈর্য ও বিনয় নিয়ে কাজ করতে হয় এবং সবাইকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে হয় সে অভিজ্ঞতা অর্জন করো।

সম্মিলিত প্রয়াস

স্কুলের যেকোনো সম্মিলিত কাজে সবার আগে অংশ নাও। পিকনিকে যাচ্ছ, ম্যানেজমেন্টের দায়দায়িত্ব স্ব-উদ্যোগে সম্পন্ন করো। সবার মতামত নিয়ে ইভেন্টকে সুন্দর ও উপভোগ্য করে তোলো।

উপস্থাপনা শক্তি

নেতা হওয়ার জন্য কথা বলার গুণ খুব দরকারি। মানুষের সামনে কথা বলার যোগ্যতা অর্জন করো। কথার খই ফুটিয়ে অর্জন করো তাদের মুগ্ধতা। সুযোগ পেলেই বক্তব্য দিয়ে দাও নিজের মতো করে গুছিয়ে। স্কুলের বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় যেন তোমার নাম কোনোভাবেই বাদ না যায়।

দূরদৃষ্টি

একজন ভালো নেতার অন্যতম বিশেষ গুণ দূরদৃষ্টি। সে তার উদ্দেশ্য এবং সেই উদ্দেশ্যে পৌঁছানোর গতিপথ সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত। নেতার দূরদর্শিতাই পারে কোনো কাজে সাফল্য এনে দিতে। তাই এখন থেকেই তুমি যা করছো, তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে শেখো।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে শেখো। দলীয় কাজে নেতার মনোবল শক্ত না থাকলে বাকি সদস্যদেরও মনোবল ভেঙে যায়। তাই সব কাজে ইতিবাচক চিন্তা করার অভ্যাস করতে হবে। এতে যেকোনো কাজে আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত