ভাঙনের মুখে থাকা গণফোরামকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়ে দলটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, মানুষ গণফোরামের সদস্য হতে এগিয়ে আসছে। এটা ভালো লক্ষণ।
শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
ড. কামাল বলেন, ‘আপনারা জেলায় জেলায় দলকে সংগঠিত করুন। দলে তরুণ ও নারীদের সংখ্যা বাড়ান। দলের পক্ষ থেকে সারাদেশে সভা-সমাবেশ করুন এবং গণফোরামের নীতি-আদর্শ মানুষের কাছে তুলে ধরুন।’
গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টুসহ দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরীরা সম্প্রতি সভা করে আলাদা কাউন্সিল ডেকেছেন। এজন্য তাদের বহিষ্কারের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।
ড. কামাল বলেন, দেশে গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে হবে। গণতন্ত্র শুধু বইয়ের পাতায় থাকলে চলবে না, মানুষকে অধিকার ভোগ করে দেওয়ার সুযোগ আমাদের তৈরি করে দিতে হবে।
গণফোরাম মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছে দাবি করে তিনি বলেন, সংগঠন শক্তিশালী হলে দেশে সত্যিকার অর্থে আমরা গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গড়তে পারব। আমাদের যে স্বাধীনতার লক্ষ্য সেটাকে আমরা বাস্তবে রূপান্তরিত করতে পারব।
দলের সদস্য বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে গণফোরাম সভাপতি বলেন, এই সদস্য শুধু নামকাওয়াস্তে চাঁদা নেওয়ার জন্য নয়। যাদের সদস্য করা হবে, তাদের সত্যিকার অর্থে পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, জেলায় জেলায় নেতারা বলেছেন- অনেক মানুষ আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসছেন গণফোরামের সদস্য হওয়ার জন্য। এটা খুব ভালো লক্ষণ।
কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে মিলিত হওয়ায় সদস্যদের ধন্যবাদ জানান ড. কামাল। গত ১২ মার্চ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর এটিই কমিটির প্রথম সভা।
সভায় আহ্বায়ক কমিটির ৭০ সদস্যসহ ১৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় বক্তব্য রাখেন কামাল।
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোকাব্বির খান এমপির সভাপতিত্বে এই সভায় সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া, আ ও ম শফিক উল্লাহ, মহসিন রশিদ, সুরাইয়া বেগম, জানে আলম ও মোশতাক আহমেদ মূল মঞ্চে ছিলেন।
