বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যুর পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেল জ্বালানি খাতের কোম্পানি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার লিমিটেড। গতকাল এই কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এ ছাড়া ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমে কাট-অফ প্রাইস (প্রান্ত-সীমা মূল্য) নির্ধারণে অনুষ্ঠিত নিলামে যেসব যোগ্য বিনিয়োগকারী এনার্জিপ্যাকের শেয়ার ৬০ টাকার বেশি দরে প্রস্তাব করেছেন, তারা ২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিডিং করেছেন কি না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা তলবের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। একই সঙ্গে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজসহ পরবর্তী সময়ে অন্য সব আইপিওর বিডিংয়ের ক্ষেত্রে ওই নির্দেশনা মেনে শেয়ার দরে প্রস্তাব করা হয়েছিল কি না, তা জানতেও ব্যাখ্যা তলবের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে গতকালের কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এনার্জিপ্যাক পাওয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮০০টি সাধারণ শেয়ার ৩১ টাকা মূল্যে (প্রান্ত সীমা থেকে ১০ শতাংশ হ্রাসকৃত মূল্যে) ইস্যু করবে। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে এই শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটি ৬২ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করবে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। এর আগে বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ারের কাট অফ প্রাইস ৩৫ টাকা নির্ধারণ করেন। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে এই দরে ২ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৬টি ইস্যু করা হবে। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে উত্তোলন করা হবে ৭০ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার ৮১০ টাকা। কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সমন্বিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পত্তি মূল্য (পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ) দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ১৫ পয়সা এবং পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা।
