ধর্ষণের মতো ঘটনা সালিশে মীমাংসা করাকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে কেন গণ্য করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের যেসব নির্দেশনা রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বশেষ পরিস্থিতি কী সে বিষয়ে তিন মাসের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়কে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। গত ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, অনিক আর হক ও ইয়াদিয়া জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।
আবেদনে ধর্ষণের মামলা আইনের বিধান অনুযায়ী ১৮০ কার্যদিবসে মুলতবিবিহীন নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টের যে নির্দেশনা রয়েছে, তা কঠোরভাবে পালন করা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০ (৬) ধারা অনুযায়ী ভুক্তভোগী কিংবা তার পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অথবা আদালতের সম্মতিতে ধর্ষণ মামলার বিচার যাতে রুদ্ধদ্বার কক্ষে হয় সে বিষয়ে নির্দেশনা চাওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আইন ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ছিল। আদালত রুল জারির পাশাপাশি ওইসব নির্দেশনা প্রতিপালনের সবশেষ অবস্থা কী তা জানতে চেয়েছে। এ ছাড়া ১৮০ দিনে মামলার নিষ্পত্তির বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ইতিমধ্যে ধর্ষণের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে। এছাড়া রুদ্ধদ্বার কক্ষে ধর্ষণের মামলা বিচারের বিষয়ে হাইকোর্ট বলেছে, এটি নির্দেশনামূলক, বাধ্যতামূলক নয়। যখন রুলের চূড়ান্ত শুনানি হবে তখন তারা এ বিষয়টি দেখবে।’
