বন বিভাগের জমিতে গুদাম, দোকান, বাড়ি

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪৯ এএম

দিনাজপুরের পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী সড়কের পাশে এরশাদনগরে বন বিভাগের জমি দখল করে গোডাউন, দোকানঘর ও বাসাবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক  ব্যক্তির বিরুদ্ধে। রবিউল ইসলাম নামে ওই দখলদার উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলামের ছেলে। বন বিভাগের জমিতে গুদাম, দোকান ও ঘরবাড়ি বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেখানে বসবাস করছেন ও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত বুধবার বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, মেসার্স আরজিনা ট্রেডার্সের মালিক রবিউল ইসলাম উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের হাবড়া মৌজায় তার প্রতিষ্ঠানে বসে নতুন একটি গোডাউন ও পাকা বাসাবাড়ি নির্মাণকাজ তদারক করছেন। সড়কের দক্ষিণধারে হাবড়া মৌজার ৪০৫ দাগে প্রায় ৫২ একর জমিতে সরকারি বনভূমি রয়েছে। সেখানে একটি গোডাউন ও অফিস নির্মাণ করে ধানের ব্যবসা করে আসছিলেন রবিউল। পরে পাকা বসতবাড়ি নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস করছেন।

বর্তমানে তিনি ওই এলাকায় নতুন করে আরও একটি বড় গোডাউন ও পাকা বাসাবাড়ি নির্মাণের কাজ চালাচ্ছেন। নির্মাণাধীন গোডাউন, বাসাবাড়ি ও আগের বাসাবাড়ি, অফিস, গোডাউনঘর, তিনটি দোকানঘরসহ মোট ভোগদখলীয় জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতক।

বন বিভাগের জমি দখল করে বেআইনিভাবে বসতবাড়ি ও গোডাউনঘর নির্মাণের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মেসার্স আরজিনা ট্রেডার্সের মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, হাবড়া মৌজায় ৪৪ দাগে আমার তিন শতক জমি রয়েছে। এছাড়া জেলা পরিষদের অধীন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কিছু জমি আজীবনের জন্য লিজ নিয়ে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। বনবিভাগের কোনো জমি দখল করিনি। তবে তিনি লিজের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

হাবড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্র্তা (তহশিলদার) জাকির হোসেন বলেন, আলোচিত এলাকার জমি বনবিভাগের অন্তর্ভুক্ত।

মধ্যপাড়া বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ মোখছেদুল আলম বলেন, বন বিভাগের জমি দখল করে গোডাউন, বাসাবাড়ি ও অফিসঘর নির্মাণের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারিনি। খোঁজ করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত