আন্তর্জাতিক ইসলামিক সংস্থার (ওআইসি) নেতৃস্থানীয় দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা বিষয়ে গাম্বিয়াকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে মিসরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
গতকাল রবিবার মিসরের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ওয়ালিদ আহমেদ সামসেলদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় এ আহ্বান জানানো হয়। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মিসরের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে সে দেশের রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ ও মিসরের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন ড. মোমেন। তিনি মিসরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ বাংলাদেশিদের কাজে লাগাতে পারবে মিসর।
ড. মোমেন বাংলাদেশে পেট্রো-কেমিক্যাল শিল্প স্থাপনের অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে মিসর আগ্রহী বলে রাষ্ট্রদূত জানান। এ সময় মিসরের রাষ্ট্রদূত বলেন, সে দেশের আলেকজান্দ্রিয়া অথনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশের দুজন বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করেছেন। মিসরের পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে বলে ওয়ালিদ আহমেদ সামসেলদিন উল্লেখ করেন।
দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে মিসর সফর করেছিলেন উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। মিসরে অনেক বাংলাদেশি ছাত্রের লেখাপড়ার সুযোগ আছে। ঢাকায় আগামী ডি-৮ সম্মেলনে মিসরের প্রেসিডেন্ট অংশগ্রহণ করবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
