মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

হাইকোর্টের রায়

প্রথম বিসিএসের ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে পদোন্নতির নির্দেশ

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৩৩ এএম

স্বাধীনতার পর প্রথম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসন ক্যাডারের পদোন্নতিবঞ্চিত ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ওই ৩৯ কর্মকর্তার তিনটি রিট আবেদনের ওপর জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে গতকাল রবিবার দেওয়া রায়ে এ নির্দেশনা দেয় বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৮ সালের ‘উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি/নিয়োগের নীতিমালা’ অনুযায়ী অবসরে যাওয়া এসব যুগ্ম সচিব ও উপসচিব প্রাপ্যতা অনুসারে পদোন্নতিসহ আনুষঙ্গিক সুবিধা ও পদমর্যাদা লাভ করবেন।

আদালতে রুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। অ্যাডভোকেট রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, রিট আবেদনকারী ৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধার পদোন্নতির জন্য ১৯৯৮ সালে একটি নীতিমালা করে সরকার। এরপর ১৯৯৯ সালে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি পদোন্নতির তালিকা করে সরকার। পরে নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি পেয়ে তাদের কেউ কেউ যুগ্ম সচিব পর্যন্ত হন। তবে ২০০২ সালে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করে বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে ২০১১ সালে এ সংক্রান্ত অন্য একটি মামলা আপিল বিভাগ পর্যন্ত গড়ায়। ওই মামলায় আপিল বিভাগের রায়ে বলা হয়, ২০০২ সালের ওই বিধিমালা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। আর ২০০২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী যাদের পদোন্নতিবঞ্চিত করে কনিষ্ঠদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সেসব কনিষ্ঠের পদোন্নতি পাওয়ার তারিখ থেকে বঞ্চিতরা প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাবেন। এরপর ২০০২ সালের ওই বিধিমালা চ্যালেঞ্জ করে বঞ্চিত কয়েকজন ২০১৩ সালে হাইকোর্টে তিনটি রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে একই বছরের ১২ নভেম্বর রুল জারি করে হাইকোর্ট।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত