লক্ষ্য অর্জনের দুই বছর

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:২৮ এএম

যারা কলেজে পা দিয়েছো, মনে রেখো তোমরা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম দুটি বছরে প্রবেশ করেছো। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে এই দুটি বছরই। কোন দিকে তুমি যেতে চাও, কোন বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাও সবই এই দুবছরের পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করবে। তাই সময়টাকে যথাযথ কাজে লাগাও। লিখেছেন কাজী মাসউদ

শ্রেষ্ঠ সময় এখনই

উচ্চ মাধ্যমিকের দুটি বছর তোমার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই তোমার লক্ষ্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়। তোমার গন্তব্য কোথায় তা এই সময়ের সদ্ব্যবহারের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই যত দ্রুত সম্ভব লক্ষ্য স্থির করে সেদিকে যাত্রা শুরু করে দাও। প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে হলে এখনই দৌড় শুরু করতে হবে।

সাহসী সিদ্ধান্ত নাও

তোমার গন্তব্য তোমাকেই স্পষ্ট দেখতে পেতে হবে। মা-বাবা কিংবা অভিভাবকরা তোমার মানসিকতা বিবেচনা করতে সক্ষম নাও হতে পারেন। তাই তোমার পছন্দকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহসিকতা অর্জন করতে হবে। প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারো। তবে সিদ্ধান্ত তোমাকেই নিতে হবে।

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি

ভালো কলেজে চান্স হয়নি তা নিয়ে দুঃখ করার সময় তোমার হাতে নেই। পরিশ্রমই খুলে দেবে তোমার সফলতার দুয়ার। তাই কলেজের ওপর ভরসা না করে নিজের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের প্রতিই বেশি আস্থা রাখতে হবে। ভালো কলেজে পড়ে বকে যাওয়ার এবং মানহীন কলেজে পড়ে সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের টপস্কোর করার নজির রয়েছে অসংখ্য।

প্রয়োজন প্রবল আত্মবিশ্বাস

অকারণ হতাশা তোমাকে পিছিয়ে দেবে। লক্ষ্যার্জনে প্রয়োজন এক বুক আত্মবিশ্বাস। ইতিবাচক মনোভাব, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মতো মানসিক শক্তি অর্জন করতে হবে। দুবছরের রোডম্যাপ করে নিয়মতান্ত্রিক পড়াশোনা চালিয়ে গেলে তোমার আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়ার কথা নয়।

বেপথু হয়ো না

কলেজের পিচ্ছিল প্রাঙ্গণে পা রেখেই অনেকে বিপথগামী হয়। তোমার লক্ষ যদি হয় অটুট, তবে এখানে বেপথু হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। স্কুলজীবন হেসে খেলে পার করলেও কলেজে খুব সিরিয়াস হতে হবে তোমাকে। এই দুটি বছর নিজেকে পড়াশোনার খাঁচায় আটকে রাখতে পারলেই তুমি হতে পারবে জীবনের ঝকঝকে আকাশের ডানা মেলা মুক্ত বিহঙ্গ!

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত