সেই দুই বোনের বাসায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৩১ এএম

হাইকোর্টের নির্দেশে বাবার বাড়িতে ঢুকতে পারা দুই বোনকে নিরাপত্তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উভয়পক্ষের আত্মীয়স্বজনরা যাতে গুলশান-২-এর ৯৫ নম্বর সড়কের ওই বাসায় বিনা বাধায় যাতায়াত করতে পারেন সেটিও নিশ্চিত করতে বলেছে উচ্চ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের ভাই প্রয়াত মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের দ্বিতীয় স্ত্রী আনজু কাপুর এবং দুই মেয়ে মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশশারা মোস্তফাকে নিয়ে গতকাল গুলশান থানার ওসি আদালতে হাজির হলে এ আদেশ আসে। পাশাপাশি মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের সম্পত্তি দাবির পক্ষে দুই মেয়ে ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে দুই বোনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। আর আনজু কাপুরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ রেজা সোবহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

বাবার বাড়িতে প্রবেশে দুই বোনের বাধা পাওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর গত ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় হাইকোর্টের এই বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এক আদেশে তাদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে গুলশান থানাকে নির্দেশ দেয়। এছাড়া ওই বাসায় দুই বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুই বোন ও মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গুলশান থানার ওসিকে হাইকোর্টে হাজির থাকতে নির্দেশ দেয় আদালত। হাইকোর্টের এ আদেশের পর ওই রাতেই দুই বোনকে তাদের বাবার বাড়িতে তুলে দেয় গুলশান থানার পুলিশ। গুলশানের ওই বাড়িতে ফেরদৌস ওয়াহিদের প্রয়াত ভাই মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের দ্বিতীয় স্ত্রী আনজু কাপুর বসবাস করেন। জগলুলের প্রথম স্ত্রীর দুই সন্তান মুশফিকা মোস্তফা ও মোবাশশারা মোস্তফা। জগলুল গুলশানের ১০ কাঠা প্লটের ওই বাড়ির মালিক ছিলেন। গত ১০ অক্টোবর মারা যান তিনি। বাবার মৃত্যুর পর দাফন শেষে দুই বোন বাবার বাড়িতে ঢুকতে না পেরে ১২ অক্টোবর গুলশান থানায় জিডি করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত