অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিনের ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে তিন কোটি ডোজ সংগ্রহের জন্য ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই) ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে সরকার।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স কক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর উপস্থিতিতে স্মারকে সই করা হয়।
এ স্মারকের আওতায়, সেরাম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের বেক্সিমকোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, টিকা বিতরণ করা হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ যারা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে আছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পর্যায়ক্রমে দেশের সবাইকে টিকার আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি জানান, প্রত্যেকের জন্য দুটি করে ডোজ লাগবে। অর্থাৎ তিন কোটি ডোজ টিকা আনলে দেড় কোটি মানুষকে তা দেওয়া যাবে। বলেন, “একটি ডোজের ২৮ দিন পর আরেকটি ডোজ দিতে হবে। প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে ডোজ দিতে পারবে বলে তারা জানিয়েছে। এখানে স্টোরেজের ব্যবস্থা উনারাও করবে, আমরাও করব।”
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন বলেন, সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের যোগসূত্রটা আমরা করে দিয়েছি।
এই টিকার ১০০ কোটির বেশি ডোজ উৎপাদন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরবরাহের জন্য অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং গেটস ফাউন্ডেশন ও গ্যাভির সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের।
