গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই গত বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার একাধিক স্থানে ৯টি বাস পোড়ানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এক নাগরিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘জো বাইডেন নির্বাচিত হওয়ার পর সবাইকে ফোন দিয়েছেন, কিন্তু শেখ হাসিনাকে ফোন দেননি। আর তাই জো বাইডেনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বাস পোড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাকে বোঝাতে চেয়েছেন, এ দেশে সন্ত্রাস আছে। এ সন্ত্রাস দমন করতে হলে তাকে দরকার।’
তিনি বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র কবরে শায়িত। এখন আমরা অপেক্ষায় আছি আল্লাহু আকবার বলে গণতন্ত্রকে মাটি চাপা দেব? নাকি হরিবোল বলে আগুনে পোড়াব? এই গণতন্ত্র মুক্তির একটাই পথ আছে। তা হলো সম্মিলিতভাবে সবাইকে রাস্তায় নামতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এভাবে আর বেশি দিন যাবে না। এর অবসান হবেই।’
বিএনপির উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার ওপর এত অত্যাচার করা হচ্ছে, তারপরও কীভাবে তারা সয়ে যাচ্ছে? যেখানে ইয়াবার মামলায় সবাই জামিন পেয়ে যায়, খালেদা জিয়ার জামিন হয় না, সম্পাদক আবুল আসাদের জামিন হয় না, এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারে না। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়।’
নয়াদিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য সুকোমল বড়ুয়া, কবি আবদুল হাই শিকদার, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুল আমিন রোকন, মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজে একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন প্রমুখ।
