ট্রায়ালে চীনের ভ্যাকসিনও সফল

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২০, ০১:৩৭ এএম

ফাইজার-মর্ডানার পর এবার মধ্যপর্যায়ের ট্রায়ালে সফলতা পেয়েছে চীনের তৈরি করোনাভাইরাস টিকা। এই টিকা নিয়ে কাজ করা গবেষকরাই এমন দাবি করছেন বলে বিবিসির গতকাল বুধবারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এ ট্রায়ালে ৭০০ মানুষের ওপর কাজ করা হয়েছে। যেখানে সিনোভেক বায়োটেকের তৈরি করোনার ভ্যাকসিনটি দ্রুত ইমিউন তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।

সিনোভ্যাকের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে ১৪৪ জন ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৬০০ জনের ওপর প্রয়োগের পর পাওয়া ফলাফলে টিকাটি যে ‘জরুরি ব্যবহারে উপযুক্ত’ তা বোঝা গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক জু ফেংচাই। সিনোভ্যাকের এ টিকাটির তৃতীয় পর্যায়ের বড় আকারের ট্রায়াল চললেও এর ফলাফল সংক্রান্ত কোনো তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

ইউরোপ-আমেরিকার তৈরি ভ্যাকসিনগুলোর ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকারিতার প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এমন ঘোষণা দিয়েছেন চীনের গবেষকরা। যদিও বড় পরিসরেই ট্রায়াল হয়েছে ইউরোপ-আমেরিকার ভ্যাকসিনগুলোর। সেক্ষেত্রে ৭০০ মানুষের ওপর চালানো এ ট্রায়াল তুলনামূলক কমই বলা চলে।

এদিকে মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে তৈরি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর বলে দাবি করেছে এর প্রস্তুতকারক যুক্তরাষ্ট্রের জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি মর্ডানা। গত সোমবার বিবিসির প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়। শেষ ধাপের ওই ট্রায়ালে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার মানুষের দেহে ভ্যাকসিনটি পুশ করা হয়। এর মধ্যে অর্ধেককে চার সপ্তাহের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাকিদের দেওয়া হয় নামমাত্র ইনজেকশন। সেগুলোতে ভ্যাকসিনের কোনো ডোজ ছিল না।

এ ছাড়া মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেক বলছে, তাদের তৈরি ভ্যাকসিনটি ৯০ শতাংশ কার্যকর। তারা দাবি করছে, ৬ দেশে ৪৩ হাজার ৫০০ জন মানুষের দেহে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চালিয়ে প্রাথমিকভাবে এমন ফল পাওয়া গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত